বিষয়বস্তুতে চলুন

পিতামাতার অধিকার

wikishia থেকে
পিতামাতার অধিকার নিবন্ধটি পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহার নিবন্ধ থেকে।

পিতামাতার অধিকার (আরবি: حقوق الوالدين); হলো এমন অধিকার যা পিতামাতা সন্তানদের উপর রাখে। এই অধিকারগুলি পালন করাকে মহান আল্লাহর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আদেশগুলির মধ্যে অন্যতম একটি হিসাবে বিবেচনা করা হয় এবং মহান আল্লাহর ইবাদতের পরে, এটি একটি সন্তানের উপর পিতামাতার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধিকার হিসাবে বিবেচিত হয়। ধর্মীয় গ্রন্থগুলিতে, পিতামাতার প্রতি দয়া, শ্রদ্ধা, আনুগত্য এবং তাদের আর্থিক চাহিদা পূরণ করা তাদের সন্তানদের উপর পিতামাতার অধিকারগুলির মধ্যে বিবেচিত হয়েছে। কুরআনে, পিতামাতার প্রতি সদয় আচরণের নির্দেশের পর, সন্তানদের কেবল তাদের পিতামাতার প্রতি দুর্ব্যবহার এবং সামান্যতম কঠোরতা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়নি, বরং তাদের জীবদ্দশায় তাদের প্রতি বিনয়ী হতে এবং মৃত্যুর পরে তাদের জন্য প্রার্থণা করতে বলা হয়েছে। মাসুম ইমামদের (আ.) থেকে বর্ণিত হাদিসে, পিতামাতার সাথে সদয় আচরণকে মহান আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম এবং সবচেয়ে প্রিয় আমলগুলির মধ্যে একটি এবং শিয়াদের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছে।

ফিকাহবিদগণ মনে করেন যে, যদি পিতামাতা গুনাহের আদেশ না করে, তাহলে পিতামাতার অবাধ্যতা তাদের ক্ষতির কারণ হতে পারে এমন হলে, পিতামাতার আনুগত্য করা ওয়াজিব। এছাড়াও, তাদের ফতোয়া অনুসারে, যদি সন্তানের সক্ষমতা থাকে তাহলে তার উপর তার দরিদ্র পিতামাতার ভরণপোষণ খরচ বহন করা ওয়াজিব।

পিতামাতার অধিকারের মর্যাদা এবং গুরুত্ব

পিতামাতার অধিকার পালন করাকে মহান আল্লাহর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আদেশগুলির মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয় পাহে[১] এবং মহান আল্লাহর অধিকারের পরে, এটি একটি সন্তানের উপর পিতামাতার সবচেয়ে বড় অধিকার হিসাবে বিবেচিত।[২] পিতামাতার প্রতি দয়া ও দানশীলতা, যা পিতামাতার অধিকারগুলির মধ্যে একটি হিসাবে বিবেচিত হয়,[৩] কুরআনে বেশ কয়েক জায়গায় জোর তাকিদ দেওয়া হয়েছে।[৪] আল্লাহর ইবাদত করার আদেশ এবং তাঁর সাথে অন্য কাউকে শরীক করার নিষেধাজ্ঞার পরপরই এই আদেশের পুনরাবৃত্তি,[৫] এই নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার বিশেষ গুরুত্বের লক্ষণ হিসাবে বিবেচিত হয়েছে।[৬]

وَاعْبُدُوا اللَّـهَ وَلَا تُشْرِ‌کُوا بِهِ شَیْئًا وَبِالْوَالِدَیْنِ إِحْسَانًا (অর্থ: আর আল্লাহর ইবাদত করো, তাঁর সাথে কোন কিছুকে শরীক করো না এবং পিতামাতার সাথে সদাচরণ করো।)

সূরা নিসা: ৩৬।

শিয়া ও সুন্নি হাদিস হাদিসগুলিতে, পিতামাতার বিশেষ মর্যাদার উপর জোর দেওয়া হয়েছে এবং এর জন্য একটি পৃথক বিশেষ অধ্যায় স্থান পেয়েছে, [৭] পিতামাতার অধিকারের প্রতি অবজ্ঞা এবং তাদের অবাধ্যতা হারাম এবং একটি কবিরা গুনাহ হিসাবে বিবেচিত।[৮] পিতামাতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের উপর জোর দেওয়া অন্যান্য ধর্মের কিছু গ্রন্থেও পাওয়া যায়, যেমন- আহদে আতিক।[৯]

পিতামাতার অধিকার কি?

ধর্মীয় গ্রন্থগুলিতে, পিতামাতার প্রতি দয়া ও শ্রদ্ধা,[১০] তাদের প্রতি আনুগত্য[১১] এবং তাদের আর্থিক চাহিদা পূরণ[১২] পিতামাতার অধিকারের মধ্যে অন্যতম বলে বিবেচিত।

দয়া এবং শ্রদ্ধা

মূল নিবন্ধ: পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহার

ইমাম কাযিম (আ.):

এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলেন: সন্তানের উপর পিতার অধিকার কী? তিনি বললেন: তার উচিত নয় তাকে নাম ধরে ডাকা, তার আগে হাঁটা, তার আগে বসা, অথবা এমন কিছু করা যাতে লোকেরা তার পিতাকে গালি দেয়।

-সূত্র: শেইখ কুলাইনী, আল-কাফী, ১৪০৭ হিজরি, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৫৮।

পিতামাতার প্রতি দয়া ও শ্রদ্ধা পিতামাতার অধিকারের মধ্যে বিবেচিত।[১৩] শেইখ হুর আমেলি তাঁর ওয়াসায়েলুশ শিয়া গ্রন্থে ‘পিতামাতার অধিকার’ শিরোনামে একটি অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন, যেখানে তিনি পিতামাতার প্রতি দয়া, ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা সম্পর্কে কতিপয় হাদিস উল্লেখ করেছেন।[১৪] মাসুম ইমামদের হাদিসে বলা হয়েছে যে, পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করা এবং আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম[১৫] এবং সবচেয়ে প্রিয় আমলগুলির মধ্যে একটি[১৬] এবং শিয়াদের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।[১৭] এছাড়াও, আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং অসন্তুষ্টি সন্তানদের প্রতি পিতামাতার সন্তুষ্টি এবং অসন্তুষ্টির উপর নির্ভর করে[১৮] এবং তাদের প্রতি সদয় হতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য কোনও অজুহাত গ্রহণ করা হয় না।[১৯] মহানবীর (সা.) চরিত্র সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তিনি তাঁর পালিত মাকে অত্যন্ত সম্মান করতেন[২০] এবং যারা তাদের পিতামাতার প্রতি সদয় ছিলেন তাদেরকে সম্মান করতেন।[২১]

অতএব, মুসলমানদেরকে তাদের পিতামাতার প্রতি সদয় আচরণ করার এবং তাদের যত্ন নেওয়া ও দেখাশোনা করার কষ্ট সহ্য করার আদেশ দেওয়া হয়েছে;[২২] এমনকি যদি পিতামাতা মুশরিক[২৩] বা পাপীও হন। [২৪]

দয়ার উদাহরণ

সূরা আল-ইসরার ২৩ ও ২৪ নং আয়াতে, পিতামাতার প্রতি সদয় আচরণের আদেশের পরে, এর কিছু উদাহরণ উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন- "উফ" বলা নিষেধ এবং তাদের প্রতি সামান্যতম কঠোরতা।[২৫] আয়াতের বাকি অংশে, সন্তানদের কেবল বৃদ্ধ বয়সে তাদের পিতামাতার সাথে খারাপ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়নি; বরং, তাদের লালন-পালন ও শিক্ষাদানে তাদের পিতামাতা যে কষ্ট সহ্য করেছেন তার প্রতিদান হিসেবে তাদের সামনে বিনয়ী হওয়া এবং তাদের জীবদ্দশায় এবং তাদের মৃত্যুর পরে তাদের জন্য দোয়া করতে বলা হয়েছে।[২৬]

হাদিসে পিতামাতার অধিকারের উদাহরণও উল্লেখ করা হয়েছে; যেমন- সন্তানদের তাদের নাম ধরে ডাকা উচিত নয়, তাদের আগে আগে হাঁটা উচিত নয়, তারা বসার আগে বা তাদরেকে পিছনে রেখে বসা উচিত নয়।[২৭] এছাড়াও, যদি তারা ডাকে, তবে দ্রুত সাড়া দেওয়া উচিত, এমনকি যদি সে নামাযে থাকে।[২৮] এবং যদি তাদের আচরণ এবং কথাবার্তা ইচ্ছার বিরুদ্ধেও হয়, তাহলে ভ্রুকুটি করা বা তাদের অভিশাপ দেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।[২৯] পিতামাতার গোপনীয়তা রক্ষা করা[৩০] এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা[৩১] পিতামাতার প্রতি দয়ার অন্যান্য উদাহরণ।

আনুগত্য এবং ভরণপোষণ

وَقَضَیٰ رَ‌بُّکَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِیَّاهُ وَبِالْوَالِدَیْنِ إِحْسَانًا إِمَّا یَبْلُغَنَّ عِندَکَ الْکِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ کِلَاهُمَا فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْ‌هُمَا وَقُل لَّهُمَا قَوْلًا کَرِ‌یمًا وَاخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ الذُّلِّ مِنَ الرَّ‌حْمَةِ وَقُل رَّ‌بِّ ارْ‌حَمْهُمَا کَمَا رَ‌بَّیَانِی صَغِیرً‌ا (অর্থ: আর, তোমার প্রভু আদেশ করেছেন যে, তোমরা তাঁকে ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করো না এবং তোমাদের পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করো। যদি তাদের একজন অথবা উভয়েই তোমার কাছে বৃদ্ধ বয়সে পৌঁছায়, তাহলে তাদেরকে "উফ" বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না, বরং তাদের সাথে সদয়ভাবে কথা বলো। আর তাদের উপর দয়ার সাথে বিনয়ের ডানা বিছিয়ে দাও এবং বলো, “হে আমার প্রভু, তাদের প্রতি দয়া করো, যেমন তারা আমাকে ছোট বেলায় লালন-পালন করেছে।”

-সূরা ইসরা:২৩-২৪।

পিতামাতার প্রতি আনুগত্য তাদের অধিকারের মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত হয়,[৩২] যদি না তারা সন্তানকে শিরক বা পাপের দিকে ডাকে।[৩৩] মাসুম ইমামদের হাদিসে, পিতামাতার প্রতি আনুগত্যকে ঈমানের লক্ষণ[৩৪] হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

শিয়া ফাকিহ মির্জা কুম্মীর মতে, কিছু ক্ষেত্রে পিতামাতার আনুগত্য করার উজুব বা বাধ্যবাধকতা ফকিহগণের মধ্যে ঐক্যমত্যের বিষয়।[৩৫] তিনি এমন কোনও বৈধ কাজ করাকে জায়েয মনে করেন না যাতে পিতামাতা সন্তুষ্ট নন; যদি না, তা না করা সন্তানের জন্য ক্ষতিকর হয়।[৩৬] কিছু ফিকাহবিদ, যেমন- জাওয়াহের গ্রন্থপ্রণেতা সাইয়্যেদ মোহসেন হাকিম এবং নাসের মাকারেম শিরাজীও বিশ্বাস করেন যে, পিতামাতার আনুগত্য করার উজুব বা বাধ্যবাধকতা কেবল তখনই প্রযোজ্য, যখন সন্তানের অবাধ্যতা তাদের ক্ষতির কারণ হয়।[৩৭]

পিতামাতার আরেকটি অধিকার হল, তাদের আর্থিক চাহিদা পূরণ করা।[৩৮] ফিকাহবিদদের মতে, সক্ষমতা থাকলে অভাবগ্রস্ত পিতামাতার ভরণপোষণ খরচ বহন করা সন্তানের উপর ওয়াজিব।[৩৯] এছাড়াও, কুরআনের কিছু আয়াতে,[৪০] সন্তানদের তাদের আর্থিক অসিয়তে পিতামাতার অংশ বিবেচনা করার এবং তাদের সম্পদ তাদের জন্য ব্যয় করার উপদেশ দেওয়া হয়েছে।[৪১]

মৃত্যুর পর পিতামাতার অধিকার

ধর্মীয় গ্রন্থগুলিতে সন্তানদের মৃত্যুর পরেও তাদের পিতামাতার প্রতি সদয় আচরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে;[৪২] যার মধ্যে রয়েছে- কুরআন তেলাওয়াত করা, তাদের পিতামাতার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা, দান করা, তাদের ঋণ পরিশোধ এবং কৃত প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা, পিতামাতার বন্ধুদের সম্মান করা এবং তাদের আত্মীয়দের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা, [৪৩] এবং পিতামাতার পক্ষ থেকে নামায, রোযা এবং হজ্জ করা।[৪৪]

ফিকাহশাস্ত্রীয় গ্রন্থগুলিতে, পিতার কাযা [নামায]] এবং রোযা আদায় করা জ্যেষ্ঠ পুত্রের জন্য ওয়াজিব বলে বিবেচিত হয়।[৪৫] কিছু মুজতাহিদ ফকিহ, যেমন- খামেনায়ী, মাকারেম শিরাজী এবং নূরী হামেদানী, মাকেও এই হুকুমের অধীন বলে মনে করেছেন।[৪৬] সহিফা আল-সাজ্জাদিয়ায়, পিতামাতার প্রতি সন্তানের কর্তব্যের কতিপয় অংশ দোয়ার আকারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।[৪৭]

পিতামাতার অধিকারের প্রতি উপর জোর দেওয়ার কারণ

আল্লামা তাবাতাবাই (মৃত্যু: ১৯৮৮) কুরআনে পিতামাতার প্রতি দয়া দেখানোর উপর জোর দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন এভাবে: ‘পিতামাতা এবং সন্তানদের মধ্যে আবেগপূর্ণ সম্পর্ক নতুন প্রজন্ম এবং পূর্ববর্তী প্রজন্মের মধ্যে একটি দৃঢ় বন্ধন তৈরি করে এবং পরিবারকে শক্তিশালী করে। সামাজিক সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে পরিবারের শক্তিশালী ভিত্তি মানব সমাজের স্থিতিশীলতার কারণ।’[৪৮]

একজন শিয়া গবেষক, ইবনে মাসকুইয়া (মৃত্যু: ৪২০ হিজরী), ধর্মীয় শিক্ষাগুলিতে কেন সন্তানদেরকে তাদের পিতামাতার প্রতি সদয় আচরণ এবং তাদের অধিকারকে সম্মান করার তাকিদ দেয়; কিন্তু কেন পিতামাতাকে তাদের সন্তানদের প্রতি এই ধরনের আচরণ করার তাকিদ দেয় না, এর বিশ্লেষণে তিনি বলেন, পিতামাতারা তাদের সন্তানদের নিজেদের থেকে আলাদা কিছু বলে মনে করেন না। অতএব, তারা তাকে নিজেদের মতোই ভালোবাসে এবং তার উন্নতিকে তাদের উন্নতি বলে মনে করে; কিন্তু সন্তানরা তাদের বাবা-মা সম্পর্কে এই ধরনের মনোভাব রাখে না।[৪৯]

মায়ের অধিকারের প্রতি বিশেষ মনোযোগ

ইমাম সাজ্জাদ (আ.):

এক ব্যক্তি মহানবী (সা.)-এর কাছে এসে বলল, এমন কোন পাপ নেই যা আমি করিনি। আমার কি তওবা করে ফিরে আসার কোন উপায় আছে? মহানবী (সা.) উত্তর দিলেন, তোমার পিতামাতার কেউ কি জীবিত আছেন? সে বললেন, আমার পিতা আছে। মহানবী (সা.) বললেন, যাও এবং তার সাথে সদ্ব্যবহার করো। লোকটি চলে গেলে মহানবী (সা.) বললেন, হায়! যদি তার মা বেঁচে থাকতো।

-সূত্র: কুফি আহওয়াযী, আল-যুহদ, ১৩৯৯ হিজরি, পৃ. ৩৫।

হাদিসগুলিতে, মায়ের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে[৫০] এবং সবচেয়ে বেশি অধিকার তার জন্য বিবেচিত হয়েছে;[৫১] এমনকি মায়ের অধিকার আদায় করা অসম্ভব বলে বিবেচিত হয়েছে।[৫২] মহানবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে বলা হয়েছে যে, মায়ের প্রতি সদয়তা পূর্ববর্তী গুনাহের কাফফারা স্বরূপ।[৫৩] সূরা আহকাফের ১৫ নম্বর আয়াতে, পিতামাতার প্রতি সদাচরণ করার সুপারিশ এবং এর দর্শন ব্যাখ্যা করার পর, শুধুমাত্র মায়ের কষ্ট-ক্লেশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

মুসলিম গবেষকদের মতে, এই বিষয়টি মায়ের অধিকতর অধিকার এবং তার অধিকারের উপর আরও বেশি জোর তাকিদ দেয়।[৫৪] ইমাম সাজ্জাদ (আ.) তাঁর রিসালাতুল হুকুকুক গ্রন্থে গর্ভাবস্থায় এবং তারপর সন্তানের শৈশবকালে মা যে কষ্ট সহ্য করেন তা তুলে ধরে বিশেষভাবে সন্তানকে মায়ের কষ্টের জন্য কৃতজ্ঞ হওয়ার উপদেশ দেন।[৫৫]

সম্পর্কিত নিবন্ধ

তথ্যসূত্র

  1. ↑ সেপাহে পাসদারান, মা'আরিফে কুরআন, ১৩৭৮ ফার্সি সন, খণ্ড ২, পৃ. ৭৮।
  2. ↑ রাশিদ রিদা, তাফসিরুল মানার, ১৪১৪ হি., খণ্ড ৮, পৃ. ১৮৬; ফাযলুল্লাহ, মিন ওয়াহীল কুরআন, ১৪১৯ হি., খণ্ড ৭, পৃ. ২৫৯।
  3. ↑ আবুস সাউদ, তাফসির আবিস সাউদ, ১৯৮৩ খ্রি., খণ্ড ৩, পৃ. ১৯৮।
  4. ↑ সুরা আনকাবুত: ৮; সুরা আহকাফ: ১৫।
  5. ↑ সুরা বাকারাহ: ৮৩; সুরা নিসা: ৩৬; সুরা আন'আম: ১৫১; সুরা ইসরা: ২৩।
  6. ↑ শাহ আব্দুল আযিমি, তাফসিরে ইসনা আশারি, ১৩৬৩ (ফার্সি সন), খণ্ড ৭, পৃ. ৩৫৫।
  7. ↑ কুলাইনি, আল-কাফি, ১৪০৭ হি., খণ্ড ২, পৃ. ১৫৭; মাজলিসি, বিহারুল আনওয়ার, ১৪০৩ হি., খণ্ড ৭১, পৃ. ২২; বুখারি, সাহিহুল বুখারি, ১৪২২ হি., খণ্ড ৮, পৃ. ২; মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ, সাহিহুল মুসলিম, খণ্ড ৮, পৃ. ১।
  8. ↑ কুলাইনি, আল-কাফি, ১৪০৭ হি., খণ্ড ২, পৃ. ২৭৮; বুখারি, সাহিহুল বুখারি, ১৪২২ হি., খণ্ড ৮, পৃ. ৪।
  9. ↑ কিতাবুল মুকাদ্দাস, সাফারে লাভিইয়ান, ফাসল ১৯, আয়াত ৩; সাফারে খুরুজ, ফাসল ২০, আয়াত ১২; সাফারে তাসনিয়াহ, ফাসল ৫, আয়াত ১৬।
  10. ↑ আবুস সাউদ, তাফসির আবিস সাউদ, ১৯৮৩ খ্রি., খণ্ড ৩, পৃ. ১৯৮।
  11. ↑ আব্বাস নেজাদ, রাওয়ানশেনাসি ও উলুমে তারবিয়াতি, ১৩৮৪ (ফার্সি সন), পৃ. ৮১।
  12. ↑ আব্বাস নেজাদ, রাওয়ানশেনাসি ও উলুমে তারবিয়াতি, ১৩৮৪ (ফার্সি সন), পৃ. ৮১।
  13. ↑ আবুস সাউদ, তাফসিরে আবিস সাউদ, ১৯৮৩ খ্রি., খণ্ড ৩, পৃ. ১৯৮; আব্বাস নেজাদ, রাওয়ানশেনাসি ও উলুমে তারবিয়াতি, ১৩৮৪ (ফার্সি সন), পৃ. ৮১।
  14. ↑ শেইখ হুর্ আমিলি, ওয়াসায়েলুশ শিয়া, ১৪০৯ হি., খণ্ড ২১, পৃ. ৫০৫।
  15. ↑ শেইখ কুলাইনি, আল-কাফি, ১৪০৭ হি., খণ্ড ২, পৃ. ১৫৮।
  16. ↑ বুখারি, সাহিহুল বুখারি, ১৪২২ হি., খণ্ড ৮, পৃ. ২।
  17. ↑ শেইখ কুলাইনি, আল-কাফি, ১৪০৭ হি., খণ্ড ২, পৃ. ৭৪।
  18. ↑ তিরমিজি, সুনানুত তিরমিজি, ১৪০৩ হি., খণ্ড ৩, পৃ. ২০৭; শেইখ কুলাইনি, আল-কাফি, ১৪০৭ হি., খণ্ড ১, পৃ. ৪২৮।
  19. ↑ শেইখ কুলাইনি, আল-কাফি, ১৪০৭ হি., খণ্ড ২, পৃ. ১৬২।
  20. ↑ আবু দাউদ, সুনানে আবি দাউদ, ১৪১০ হি., খণ্ড ২, পৃ. ৫০৭-৫০৮।
  21. ↑ শেইখ কুলাইনি, আল-কাফি, ১৪০৭ হি., খণ্ড ২, পৃ. ১৬১।
  22. ↑ শেইখ কুলাইনি, আল-কাফি, ১৪০৭ হি., খণ্ড ২, পৃ. ১৬২; শেইখ সাদুক, মান লা ইয়াহদুরুহুল ফাকিহ, ১৪১৩ হি., খণ্ড ৪, পৃ. ৪০৭ ও ৪০৮।
  23. ↑ বুখারি, সাহিহুল বুখারি, ১৪২২ হি., খণ্ড ৮, পৃ. ৪।
  24. ↑ শেইখ কুলাইনি, আল-কাফি, ১৪০৭ হি., খণ্ড ২, পৃ. ১৬২।
  25. ↑ ফখরুদ্দিন রাযি, মাফাতিহুল গাইব, ১৪২০ হি., খণ্ড ২০, পৃ. ৩২৪।
  26. ↑ সুরা ইসরা: ২৩-২৪।
  27. ↑ শেইখ কুলাইনি, আল-কাফি, ১৪০৭ হি., খণ্ড ২, পৃ. ১৫৮-১৫৯; শেইখ সাদুক, মান লা ইয়াহদুরুহুল ফাকিহ, ১৪১৩ হি., খণ্ড ৪, পৃ. ৩৭২; বুখারি, আল-আদাবুল মুফরাদ, ১৪০৯ হি., পৃ. ৩০।
  28. ↑ মাজলিসি, বিহারুল আনওয়ার, ১৪০৩ হি., খণ্ড ৭১, পৃ. ৩৭।
  29. ↑ শেইখ কুলাইনি, আল-কাফি, ১৪০৭ হি., খণ্ড ২, পৃ. ৩৪৯; শেইখ তুসি, আত-তিবইয়ান, দার ইহয়াইত্ তুরাস, খণ্ড ৬, পৃ. ৪৬৭।
  30. ↑ শেইখ কুলাইনি, আল-কাফি, ১৪০৭ হি., খণ্ড ৬, পৃ. ৫০৩; শেইখ সাদুক, মান লা ইয়াহদুরুহুল ফাকিহ, ১৪১৩ হি., খণ্ড ৪, পৃ. ৩৭২।
  31. ↑ শেইখ সাদুক, উয়ুনু আখবারির রিদা (আ.), ১৩৭৮ হি., খণ্ড ১, পৃ. ২৫৮।
  32. ↑ আব্বাস নেজাদ, রাওয়ানশেনাসি ও উলুমে তারবিয়াতি, ১৩৮৪ ফার্সি সন, পৃ. ৮১।
  33. ↑ সুরা আনকাবুত: ৮; সুরা লুকমান: ১৩-১৪; আব্বাস নেজাদ, রাওয়ানশিনাসি ও উলুমে তারবিয়াতি, ১৩৮৪ ফার্সি সন, পৃ. ৮১।
  34. ↑ শেইখ কুলাইনি, আল-কাফি, ১৪০৭ হি., খণ্ড ২, পৃ. ১৫৮।
  35. ↑ মির্জায়ে কুম্মি, জামিউশ্ শাতাত, ১৪১৩ হি., খণ্ড ১, পৃ. ২৪০।
  36. ↑ মির্জায়ে কুম্মি, জামিউশ্ শাতাত, ১৪১৩ হি., খণ্ড ১, পৃ. ২৪০।
  37. ↑ নাজাফি, জাওয়াহিরুল কালাম, ১৪০৪ হি., খণ্ড: ২১, পৃ: ২৩; হাকিম, মুস্তামসিকুল উরওয়াতিল ওয়ুসকা, ১৪১৬ হি., খণ্ড: ৭, পৃ: ১৬৯; মাকারেম শিরাজি, ইস্তিফতা'আতে জাদিদ, ১৪২৭ হি., খণ্ড: ১, পৃ: ৪৯৪।
  38. ↑ আব্বাস নেজাদ, রাওয়ানশেনাসি ও উলুমে তারবিয়াতি, ১৩৮৪ ফার্সি সন, পৃ: ৮১।
  39. ↑ ইমাম খোমিনী, নাজাতুল ইবাদ, ১৪২২ হি., পৃ: ৩৮২; সাফি গুলপাইগানি, জামিউল আহকাম, ১৪১৭ হি., খণ্ড: ২, পৃ: ১০৪।
  40. ↑ সুরা বাকারাহ: ১৮০ ও ২১৫।
  41. ↑ শেইখ তুসি, আত-তিবইয়ান, দারু ইহয়াইত তুরাস, খণ্ড: ২, পৃ: ১০৮।
  42. ↑ কুলাইনি, আল-কাফি, ১৪০৭ হি., খণ্ড: ২, পৃ: ১৫৯ ও ১৬৩।
  43. ↑ শেইখ কুলাইনি, আল-কাফি, ১৪০৭ হি., খণ্ড: ২, পৃ: ১৫৯ ও ১৬৩; তাবরাসি, মাজমাউল বয়ান, ১৩৮২ ফার্সি সন, খণ্ড: ৬, পৃ: ৬৩২।
  44. ↑ শেইখ কুলাইনি, আল-কাফি, ১৪০৭ হি., খণ্ড: ২, পৃ: ১৫৯, হাদিস ৭।
  45. ↑ মুহাক্কিক হিল্লি, শারাইউল ইসলাম, ১৪০৮ হি., খণ্ড: ৪, পৃ: ১৯।
  46. ↑ বনি হাশেমি, তাউযিহুল মাসায়েলে মারাজেঅ্, ১৪২৪ হি., খণ্ড: ১, পৃ: ৭৬১ ও ১৬২; খামেনায়ী, আজবেবাতুল ইস্তিফতা'আত, ১৪২৪ হি., পৃ: ১১০।
  47. ↑ ইমাম সাজ্জাদ (আ.), সাহিফায়ে সাজ্জাদিয়্যাহ, ১৩৭৬ (ফার্সি সন), পৃ: ১১৬-১১৮।
  48. ↑ তাবাতাবাই, আল-মিজান, ১৪১৭ হি., খণ্ড: ৭, পৃ: ৩৭৪ ও খণ্ড: ১৩, পৃ: ৮০।
  49. ↑ মাসকুইয়া , তাহযিবুল আখলাক, ১৪২৬ হি., পৃ: ২৩৩।
  50. ↑ শেইখ কুলাইনি, আল-কাফি, ১৪০৭ হি., খণ্ড: ২, পৃ: ১৫৯-১৬০।
  51. ↑ হাকিম নিশাপুরি, আল-মুস্তাদরাক আলাস সহিহাইন, দারুল মা'রিফা, খণ্ড: ৪, পৃ: ১৫০।
  52. ↑ ইবনে আবি জামহুর, আওয়ালিল লিয়ালি, ১৪০৫ হি., খণ্ড: ১, পৃ: ২৬৯।
  53. ↑ শেইখ কুলাইনি, আল-কাফি, ১৪০৭ হি., খণ্ড: ২, পৃ: ১৬২।
  54. ↑ মাকারেম শিরাজি, তাফসিরে নেমুনেহ, ১৩৭৪ (ফার্সি সন), খণ্ড: ১৭, পৃ: ৪০; ইবনে মুফলিহ, আল-আদাবুশ শারইয়্যাহ ওয়া আল-মানহুল মারইয়্যাহ, ১৪২৪ হি., খণ্ড: ১, পৃ: ৩৩৮।
  55. ↑ শেইখ সাদুক, মান লা ইয়াহদুরুহুল ফাকিহ, ১৪১৩ হি., খণ্ড: ২, পৃ: ৬২১।

গ্রন্থপঞ্জি

  • কুরআন,
  • কিতাবে মুকাদ্দাস,
  • আবুস সাউদ,মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ, তাফসিরে আবিস সাউদ, বৈরুত, দারু ইহয়াইত তুরাসিল আরাবি, প্রথম প্রকাশ, ১৯৮৩ খ্রি.,
  • আবুদাউদ, সুলাইমান ইবনে আশআস, সুনানে আবি দাউদ, সম্পাদনা: সাঈদ মুহাম্মাদ লাহহাম, বৈরুত, ১৪১০ হি.,
  • ইবনে আবি জামহুর, মুহাম্মাদ ইবনে যাইনুদ্দিন, আওয়ালিল লিয়ালিল আযিযিয়্যাহ ফিল আহাদিসিস আদ্-দীনিয়্যাহ, গবেষণা ও সম্পাদনা: মুজতাবা ইরাকি, কুম, দারু সাইয়িদুস শুহাদা লিন নাশর, প্রথম প্রকাশ, ১৪০৫ হি.,
  • ইবনে শু'বাহ হুররানি, হাসান ইবনে আলি, তুহাফুল উকুল আন আলি রাসুল (সা.), গবেষণা ও সম্পাদনা: গাফ্ফারি, আলি আকবর, কুম, দাফতারে ইনতিশারাতে ইসলামি, দ্বিতীয় সংস্করণ, ১৪০৪ হি.,
  • ইমাম খোমিনী,রুহুল্লাহ, নাজাতুল ইবাদ, ইমাম খোমিনীর (র.) রচনা সম্পাদনা ও প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান (কুদস সারহ), তেহরান, প্রথম প্রকাশ, ১৪২২ হি.,
  • ইমাম সাজ্জাদ (আ.), আলি ইবনুল হুসাইন, সাহিফায়ে সাজ্জাদিয়্যাহ, কুম, দাফতারে নাশরে আল হাদি, প্রথম প্রকাশ, ১৩৭৬ (ফারসি সন),
  • বুখারি, মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল, সাহিহুল বুখারি, গবেষণা: মুহাম্মাদ যুহাইর, দামেশ্ক, দারু তাওকিন নাজাত, প্রথম প্রকাশ, ১৪২২ হি.,
  • বুখারি, মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল, আল আদাবুল মুফরাদ, গবেষকণা: মুহাম্মাদ ফুয়াদ আবদুল বাকি, বৈরুত, দারুল বাশাইরিল ইসলামিয়্যাহ, তৃতীয় সংস্করণ, ১৪০৯ হি.,
  • বনি হাশেমি খোমিনী, সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ হুসাইন, তাওজিহুল মাসায়েলে মারাজেঅ্, কুম, দাফতারে ইনতিশারাতে ইসলামি, অষ্টম সংস্করণ, ১৪২৪ হি.,
  • তিরমিজি, মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা, সুনানুত তিরমিজি, বৈরুত, সম্পাদনা: আবদুল ওয়াহহাব আবদুল লতিফ, ১৪০৩ হি.,
  • হাকিম নিশাপুরি,মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ, আল মুস্তাদরাক আলাস সহিহাইন, বৈরুত, দারুল মা'রিফা, (বি:তা:),
  • হাকিম, সাইয়্যেদ মুহসিন, মুস্তামসাকুল উরওয়াতিল ওয়ুসকা, দারুত্ তাফসির ইনস্টিটিউট, কুম, প্রথম প্রকাশ, ১৪১৬ হি.,
  • খামেনায়ী, সাইয়্যেদ আলি, আজবেবাতুল ইস্তিফতা'আত, কুম, দাফতারে মু'আজ্জামে লাহু, প্রথম প্রকাশ, ১৪২৪ হি.,
  • রশিদ রিদা, মুহাম্মাদ, তাফসিরুল মানার, লেবানন, দারুল মা'রিফা, প্রথম প্রকাশ, ১৪১৪ হি.,
  • সেপাহেপাসদারানে ইনকিলাবে ইসলামি, মা'আরিফে কুরআন, তেহরান, ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের ইসলামিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট, চতুর্থ সংস্করণ, ১৩৭৮ (ফারসি সন),
  • শাহ আবদুল আযিমি, হুসাইন, তাফসিরে ইসনা আশারি, তেহরান, মিকাত, প্রথম প্রকাশ, ১৩৬৩ (ফারসি সন),
  • শেইখ হুর আমিলি, মুহাম্মাদ ইবনে হাসান, ওয়াসাইলুশ শিয়া, কুম, আহলুল বাইত (আ.) ইনস্টিটিউট, প্রথম প্রকাশ, ১৪০৯ হি.,
  • শেইখ সাদুক, মুহাম্মাদ ইবনে আলি ইবনে বাবুইয়াহ, উয়ুনু আখবারির রিদা (আ.), গবেষণা ও সম্পাদনা: লাজুরদি, মাহদি, তেহরান, নাশরে জাহান, প্রথম প্রকাশ, ১৩৭৮ হি.,
  • শেইখ সাদুক, মুহাম্মাদ ইবনে আলি ইবনে বাবুইয়াহ, মান লা ইয়াহদুরুহুল ফাকিহ, গবেষণা ও সম্পাদনা: গাফফারি, আলি আকবর, কুম, দাফতারে ইনতিশারাতে ইসলামি, দ্বিতীয় সংস্করণ, ১৪১৩ হি.,
  • শেইখ তুসি, মুহাম্মাদ ইবনে হাসান, আত তিবইয়ান ফি তাফসিরিল কুরআন, গবেষণা: আহমাদ কাসির আমিলি, বৈরুত, দার ইহয়াইত তুরাসিল আরাবি, (বি:তা:),
  • সাফিগুলপাইগানি, লুতফুল্লাহ, জামিউল আহকাম, ইনতিশারাতে হাজরাতে মাসুমাহ (স.), কুম, চতুর্থ সংস্করণ, ১৪১৭ হি.,
  • তাবাতাবাই, মুহাম্মাদ হুসাইন, আল মিজান ফি তাফসিরিল কুরআন, বৈরুত ১৩৯০-১৩৯৪ হি. / ১৯৭১-১৯৭৪ খ্রি.,
  • তাবরাসি,ফাযল ইবনে হাসান, মাজমাউল বায়ান ফি তাফসিরিল কুরআন, ভূমিকা: মুহাম্মাদ জাওয়াদ বালাগি, তেহরান, নাসির খসরু, তৃতীয় সংস্করণ, ১৩৮২ (ফারসি সন),
  • আব্বাস নেজাদ, মুহসিন, কুরআন, রাওয়ানশেনাসি ও উলুমে তারবিয়াতী, মাশহাদ, বুনিয়াদে পাজুহেশহায়ে কুরআনিয়ে হাওযা ও দানেশগাহ, প্রথম প্রকাশ, ১৩৮৪ (ফারসি সন),
  • ফখরুদ্দিন রাযি, মুহাম্মাদ ইবনে উমর, মাফাতিহুল গাইব (আত-তাফসিরুল কাবির), বৈরুত, দার ইহয়াইত্ তুরাসিল আরাবি, তৃতীয় সংস্করণ, ১৪২০ হি.,
  • ফাজলুল্লাহ, মুহাম্মাদ হুসাইন, মিন ওয়াহীল কুরআন, বৈরুত, দারুল মালাক, প্রথম প্রকাশ, ১৪১৯ হি.,
  • শেইখ কুলাইনি, মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুব, আল কাফি, গবেষণা: আলি আকবর গাফফারি, তেহরান, দারুল কুতুবিল ইসলামিয়্যাহ, চতুর্থ সংস্করণ, ১৪০১ হি.,
  • কুফি আহওয়াজি, হুসাইন ইবনে সাঈদ, আয-যুহদ, গবেষণা: গোলামরিদা আরফানিয়ান, কুম, আল মাতবাআতুল ইলমিয়্যাহ, ১৩৯৯ হি.,
  • মাজলিসি, মুহাম্মাদ বাকির, বিহারুল আনওয়ার, বৈরুত, দার ইহয়াইত্ তুরাসিল আরাবি, দ্বিতীয় সংস্করণ, ১৪০৩ হি.,
  • মুহাক্কিক হিল্লি, নাজমুদ্দিন, শারাইউল ইসলাম ফি মাসাইলিল হালাল ওয়াল হারাম, গবেষণা ও সম্পাদনা: বাক্কাল, আবদুল হুসাইন মুহাম্মাদ আলি, ইসমাইলিয়ান প্রকাশনী, কুম, দ্বিতীয় সংস্করণ, ১৪০৮ হি.,
  • মিসকাভিয়্যাহ, আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ, তাহযিবুল আখলাক ওয়া তাতহিরুল আ'রাক, তালিআতুন নুর, প্রথম প্রকাশ, ১৪২৬ হি.,
  • মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ, সাহিহুল মুসলিম, বৈরুত, দারুল ফিকর, (বি:তা:),
  • মাকারেম শিরাজি, নাসির, ইস্তিফতা'আতে জাদিদ, গবেষণা ও সম্পাদনা: আলিয়ান নেজাদি, আবুল কাসিম, কুম, ইনতিশারাতে মাদ্রাসাতে ইমাম আলি ইবনে আবি তালিব (আ.), দ্বিতীয় সংস্করণ, ১৪২৭ হি.,
  • মাকারেম শিরাজি, নাসির, তাফসিরে নেমুনেহ, তেহরান, দারুল কুতুবিল ইসলামিয়্যাহ, প্রথম প্রকাশ, ১৩৭৪ (ফারসি সন),
  • মির্জায়ে কুম্মি, আবুল কাসিম, জামিউশ শাতাত ফি আজবেবাতিস সু'আলাত, গবেষক ও সম্পাদক: মুর্তাজা রাজাভি, তেহরান, মুয়াসসেসেয়ে কেইহান, প্রথম প্রকাশ, ১৪১৩ হি.,
  • নাজাফি, মুহাম্মাদ হাসান, জাওয়াহিরুল কালাম ফি শারহি শারাইউল ইসলাম, গবেষণা ও সম্পাদনা: কুচানি, আব্বাস, আখুন্দি, আলি, বৈরুত, দার ইহয়াইত তুরাসিল আরাবি, সপ্তম সংস্করণ, ১৪০৪ হি.।