খসড়া:আল-হাসান ওয়াল হুসাইন সাইয়্যিদা শাবাবি আহলিল জান্নাহ
আল-হাসান ওয়াল হুসাইন সাইয়্যিদা শাবাবি আহলিল জান্নাহ (আরবি: الحسن والحسین سیدا شباب اهل الجنة)" হাদীসটি অন্যান্য বেহেশতবাসীদের উপর ইমাম হাসান (আ.) ও ইমাম হুসাইন (আ.)-এর শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কিত রাসূল (সা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদীস। শিয়া আলেমগণের একটি দল এই হাদীসের মর্মার্থ থেকে এমন ধারণা পোষণ করেছেন যে, এই দুই ইমাম দুনিয়াতেও অন্যদের থেকে শ্রেষ্ঠ এবং তাদের আনুগত্য করা আবশ্যক। আহলে সুন্নাতের কিছু কিছু আলেমের মতে, বেহেশতবাসীদেরকে যুবক হিসেবে বর্ণনাকারী অন্যান্য হাদীসের পরিপ্রেক্ষিতে, এই হাদীসের অর্থ হল হাসান ও হুসাইন (আ.) সমগ্র বেহেশতবাসীর সরদার; অবশ্য রাসূল (সা.) ও ইমাম আলী (আ.) এর ন্যায় ব্যক্তিত্বকে এর থেকে ব্যতিক্রম হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
এই হাদীসটি শেইখ তুসীর ‘আমালী’, ‘মান লা ইয়াহদুরুহুল ফাকীহ’ এবং ‘সুনান আত-তিরমিযী’ এর মতো গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। এছাড়াও উক্ত হাদীস পঁচিশজন সাহাবী, যেমন ইমাম আলী (আ.), আবু বকর এবং উমর ইবনুল খাত্তাব এর মাধ্যমে বর্ণিত হয়েছে। আহলে সুন্নাত ও শিয়া উভয় সম্প্রদায়ের আলেমগণ একে মুতাওয়াতির হাদীস বলে গণ্য করেছেন। আহলে সুন্নাতের কোন কোন উৎসে এই হাদীসের অনুরূপ আরেকটি রেওয়ায়েত পাওয়া যায়, যা আবূ বকর ও উমরকে বেহেশতের প্রবীণদের সরদার হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়; তবে আহলে সুন্নাতের কিছু রিজালশাস্ত্রবিদ (হাদীস বিশারদ) এটিকে দুর্বল ও জাল বলে বিবেচনা করেন।
পরিচিতি ও মর্যাদা
“সাইয়্যিদা শাবাবি আহলিল জান্নাহ” হাদীসটি রাসূল (সা.)-এর একটি প্রসিদ্ধ হাদীস,[১] যার মাধ্যমে ইমাম হাসান ও ইমাম হুসাইন (আ.)-এর অন্যান্য বেহেশতবাসীর উপর শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।[২] বিহারুল আনওয়ার গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে যে, ইমাম হুসাইন (আ.) কারবালার ঘটনায় শত্রুর সামনে নিজের ন্যায্যতা প্রমাণ করার জন্য এই হাদীসটিকে দলিল হিসেবে উপস্থাপন করেন।[৩] হাদীসটির মূল পাঠ নিম্নরূপ: اَلْحَسَنُ وَ الْحُسَینُ سَیدَا شَبَابِ أَهْلِ الْجَنَّة; হাসান ও হুসাইন বেহেশতের যুবকদের সরদার।[৪] এই হাদীসটি অন্যান্য শব্দরূপে শিয়া ও আহলে সুন্নাতের হাদীস সংকলনেও উদ্ধৃত হয়েছে; যেমন: «الْحَسَنُ وَ الْحُسَینُ سَیدَا شَبَابِ أَهْلِ الْجَنَّةِ وَ أَبُوهُمَا خَیرٌ مِنْهُمَا» «আল-হাসানু ওয়াল-হুসাইনু সাইয়্যিদা শাবাবি আহলিল জান্নাতি ওয়া আবুহুমা খাইরুম মিনহুমা»; (হাসান ও হুসাইন বেহেশতের যুবকদের দু'জন সরদার এবং তাদের পিতা উভয়ের চেয়ে উত্তম)[৫] এবং «الْحَسَنَ وَ الْحُسَینَ سَیدَا شَبَابِ أَهْلِ الْجَنَّةِ وَ أَنَّ فَاطِمَةَ سَیدَةُ نِسَاءِ أَهْلِ الْجَنَّة» «আল-হাসানা ওয়াল-হুসাইনা সাইয়্যিদা শাবাবি আহলিল জান্নাতি ওয়া আন্না ফাতিমাতা সাইয়্যিদাতু নিসা-ই আহলিল জান্নাহ»; (হাসান ও হুসাইন বেহেশতের যুবকদের দু'জন সরদার এবং নিশ্চয়ই ফাতিমা বেহেশতের নারীদের সরদার)।[৬]
সকল বেহেশতবাসীর উপর হাসনাইন এর শ্রেষ্ঠত্ব
কিছু কিছু হাদীসে সকল বেহেশতবাসীকে যুবক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।[৭] আহলে সুন্নাতের কিছু আলেম এই ধরনের বর্ণনার প্রতি ইঙ্গিত করে, 'আহলুল জান্নাহ' (বেহেশতবাসী) শব্দের সাথে 'শাবাব' (যুবক) শব্দের সংযোজনকে ব্যাখ্যামূলক সংযোজন বলে বিবেচনা করেছেন;[৮] অর্থাৎ হাসান ও হুসাইন (আ.) সমগ্র বেহেশতবাসীর সরদার।[৯] অবশ্য রাসূল (সা.) ও হযরত আলী (আ.) এ থেকে ব্যতিক্রম।[১০] অন্য একটি হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) হযরত ঈসা ও ইয়াহইয়া (আ.)-কে এই রেওয়ায়েত থেকে ব্যতিক্রম করেছেন,[১১] কিন্তু শিয়া আলেম মুহাম্মাদ হাসান মোযাফফার এতে পরিবর্তন বা সংশোধনের সম্ভাবনা উত্থাপন করে উল্লিখিত ব্যতিক্রমটি গ্রহণ করেননি; কারণ ইবরাহীম ও মূসা (আ.)-এর মত নবিগণ হযরত ইয়াহইয়া (আ.)-এর চেয়ে উত্তম, অথচ হাদীসে তাদেরকে ব্যতিক্রম হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।[১২]
হাসনাইনের (আ.) ইমামত প্রমাণের দলিল
শিয়া আলেম আলী বাহরানী (মৃত্যু: ১৩৪০ হিজরি) এমন একটি রেওয়ায়েতের উপর ভিত্তি করে -যে রেওয়ায়েতে কিয়ামত দিবসের নেতৃবৃন্দকে পৃথিবীর নেতৃবৃন্দ হিসেবে বলে উল্লেখ করেছে[১৩] -মত পোষণ করেন যে, 'হাদীসে সাইয়্যিদা শাবাবি আহলিল জান্নাহ' অনুসারে ইমাম হাসান ও ইমাম হুসাইন (আ.) পৃথিবীতেও শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী এবং তাদের আনুগত্য করা আবশ্যক;[১৪] এ কারণেই বলা হয়েছে, এই হাদীসটি উক্ত দুই ইমামের ইমামত প্রমাণের অন্যতম দলিল।[১৫] 'সাইয়্যিদ' (সরদার) শব্দটি এমন ব্যক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়েছে, যিনি নেতৃত্ব, মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী।[১৬] তাছাড়া যিনি সকল সৎ গুনাবলীর দিক থেকে অন্যদের থেকে শ্রেষ্ঠত্ব রাখেন, তাকেও 'সাইয়্যিদ' আখ্যায়িত করা হয়েছে।[১৭]
হাদীসটি মুতাওয়াতির হওয়া প্রসঙ্গে
শিয়া হাদীস বিশারদ আল্লামা মাজলিসী "হাদীসে সাইয়্যিদা শাবাবি আহলিল জান্নাহ"-কে শিয়া- সুন্নি নির্বিশেষে সকল উলামাদের নিকট মুতাওয়াতির বলে বিবেচনা করেছেন।[১৮] সুয়ুতী ও নাসির উদ্দিন আলবানীর ন্যায় আহলে সুন্নাতের একদল আলেম এই হাদীসের মুতাওয়াতির হওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন।[১৯] আহলে সুন্নাতের হাদীস বিশারদ আবু নু'আইম ইসফাহানী, এই হাদীসের সনদের শক্তি সম্পর্কে একটি রূপক অভিব্যক্তিতে আহমাদ ইবনে হাম্বাল থেকে উদ্ধৃত করেছেন যে, যদি উক্ত হাদীসের সনদ কোন পাগলের কাছে পাঠ করা হয়, তবে তার পাগলামি দূর হয়ে যায়।[২০]
এই হাদীসের সর্বাধিক প্রসিদ্ধ বর্ণনাটি শেইখ তুসী "আল-আমালী"[২১] গ্রন্থে এবং শেইখ সাদুক "কিতাবু মান লা ইয়াহদুরুহুল ফাকীহ"[২২] গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। তিরমিযী ও ইবনে আবি শাইবা-এর মতো আহলে সুন্নাতের আলেমগণও এই রেওয়ায়েতের বর্ণনাকারী।[২৩] কিছু কিছু গবেষকের ভাষ্যমতে, "সাইয়্যিদা শাবাবি আহলিল জান্নাহ" হাদীসটি রাসূল (সা.)-এর পঁচিশজন সাহাবী বিভিন্ন রূপে বর্ণনা করেছেন, যার মধ্যে ইমাম আলী (আ.), আবু বকর এবং উমরও রয়েছেন।[২৪]
আবু বকর ও উমরের মর্যাদায় অনুরূপ হাদীস সৃষ্টি
আহলে সুন্নাতের বিভিন্ন গ্রন্থে আবু বকর ও উমরের শানে 'হাদীসে সাইয়্যিদা শাবাবি আহলিল জান্নাহ'-এর অনুরূপ একটি হাদীস উল্লেখ করা হয়েছে। উক্ত বর্ণনার ভিত্তিতে তারা দু’জন বেহেশতের প্রবীণদের সরদার।[২৫] হাইসামী ও ইবনে জাওযি-এর মতো আহলে সুন্নাতের আলেমগণ এই খবর তথা হাদীসটিকে দুর্বল ও বানোয়াট বলে বিবেচনা করেছেন।[২৬]
তাবারসী তার "কিতাবে ইহতিজাজ"-এ বর্ণনা করেছেন যে, ইয়াহইয়া ইবনে আকসাম ও ইমাম জাওয়াদ (আ.)-এর মধ্যে সংঘটিত এক বিতর্কে ইয়াহইয়া ইমামকে প্রশ্ন করেছিলেন: 'আবু বকর ও উমর বেহেশতের প্রবীণদের সরদার'- এই বর্ণনা সম্পর্কে আপনার মতামত কী? ইমাম (আ.), রাসূল (সা.)-এর পক্ষ থেকে এমন কথা উচ্চারণ করা অসম্ভব জ্ঞান করেন এবং বলেন: 'হাসান ও হুসাইন বেহেশতবাসীদের সরদার'- এই হাদীসের পাল্টা হিসাবে বনি উমাইয়া উক্ত জাল হাদীস তৈরি করেছে।[২৭]
তথ্যসূত্র
- ↑ ফাতহি, «হাদীসে সাইয়্যেদা শাবাবে আহলিল জান্নাহ ওয়া মাসআলাহ আফদালিয়্যাতে ইমাম», পৃ. ৬১।
- ↑ ফাতহি, «হাদীসে সাইয়্যেদা শাবাবে আহলিল জান্নাহ ওয়া মাসআলাহ আফদালিয়্যাতে ইমাম», পৃ. ৮২।
- ↑ বিহারুল আনোয়ার, ১৪০৩ হি., খণ্ড ৪৫, পৃ. ৬।
- ↑ শেখ তুসী, আল-আমালী, ১৪১৪ হি., পৃ. ৩১২; শেখ সাদুক, মান লা ইয়াহদুরুহুল ফাকীহ, ১৪১৩ হি., খণ্ড ৪, পৃ. ১৭৯; তিরমিযী, সুনানুত তিরমিযী, ১৩৯৫ হি., খণ্ড ৫, পৃ. ৬৫৬; ইবনে আবি শাইবা, আল-মুসান্নাফ, ১৪০৯ হি., খণ্ড ৬, পৃ. ৩৭৮, হাদীস নং ৩২১৭৬।
- ↑ হিময়ারী, কুরবুল ইসনাদ, ১৪১৩ হি., পৃ. ১১১; ইবনে মাজাহ, সুনানে ইবনে মাজাহ, দারু ইহইয়ায়িল কুতুবিল আরাবিয়্যাহ, খণ্ড ১, পৃ. ৪৪।
- ↑ শেখ মুফীদ, আল-আমালী, ১৪১৩ হি., পৃ. ২৩; আহমাদ ইবনে হাম্বাল, মুসনাদে আহমাদ, ১৪২১ হি., খণ্ড ৩৮, পৃ. ৩৫৩, হাদীস নং ২৩২৯।
- ↑ শেখ মুফীদ, আল-ইখতিসাস, ১৪১৩ হি., পৃ. ৩৫৮; তিরমিযী, সুনানুত তিরমিযী, ১৩৯৫ হি., খণ্ড ৪, পৃ. ৬৭৯; বিহারুল আনোয়ার, ১৪০৩ হি., খণ্ড ৪৩, পৃ. ২৯২।
- ↑ মানাবী, ফাইযুল কাদীর, ১৩৫৬ হি., খণ্ড ৬, পৃ. ১৫১।
- ↑ সিনদী, হাশিয়াতুস সিনদী, দারুল জাইল, খণ্ড ১, পৃ. ৫৭।
- ↑ মুযাফফার, দালাইলুস সিদ্ক, ১৪২২ হি., খণ্ড ৬, পৃ. ৪৬৩; ফাতহি, «হাদীস সাইয়্যেদা শাবাবে আহলিল জান্নাহ ওয়া মাসআলাহ আফদালিয়্যাতে ইমাম», পৃ. ৫৯।
- ↑ বিহারুল আনোয়ার, ১৪০৩ হি., খণ্ড ৪৩, পৃ. ৩১৬।
- ↑ মুযাফফার, দালাইলুস সিদ্ক, ১৪২২ হি., খণ্ড ৬, পৃ. ৪৬১-৪৬২।
- ↑ ইবনে আবিল হাদীদ, শারহে নাহজুল বালাগাহ, ১৪০৪ হি., খণ্ড ৭, পৃ. ৬৪।
- ↑ বাহরানী, মানারুল হুদা, ১৪০৫ হি., পৃ. ৫৮২।
- ↑ বাজভান্দ, «بازخوانی سندی و دلالی حدیث سیدا شباب اهل الجنة», মারকাযে হাকায়িকুল ইসলামী।
- ↑ বাহরানী, মানারুল হুদা, ১৪০৫ হি., পৃ. ৫৮২।
- ↑ সাম'আনী, তাফসীরুল কুরআন, ১৪১৮ হি., খণ্ড ১, পৃ. ৩১৬; খাযিন, লুবাবুত তাআবীল, ১৪১৫ হি., খণ্ড ২, পৃ. ২৪২।
- ↑ মাজলিসী, হাক্কুল ইয়াকীন, ইসলামিয়াহ প্রকাশনী, পৃ. ২৮৭।
- ↑ মানাবী, আত-তাইসীর বিসারহিল জামে' আস-সাগীর, ১৪০৮ হি., খণ্ড ১, পৃ. ৫০৭; আলবানী, সিলসিলাতুল আহাদীসিস সহীহাহ, ১৪১৫ হি., খণ্ড ২, পৃ. ৪৩১।
- ↑ ইসফাহানী, তারিখে ইসফাহান, ১৪১০ হি., পৃ. ৭৩।
- ↑ শেখ তুসী, আল-আমালী, ১৪১৪ হি., পৃ. ৩১২।
- ↑ শেখ সাদুক, মান লা ইয়াহদুরুহুল ফকীহ, ১৪১৩ হি., খণ্ড ৪, পৃ. ১৭৯।
- ↑ তিরমিযী, সুনানুত তিরমিযী, ১৩৯৫ হি., খণ্ড ৫, পৃ. ৬৫৬; ইবনে আবি শাইবা, আল-মুসান্নাফ, ১৪০৯ হি., খণ্ড ৬, পৃ. ৩৭৮, হাদীস নং ৩২১৭৬।
- ↑ ফাতহি, «হাদীস সাইয়্যেদা শাবাবে আহলিল জান্নাহ ওয়া মাসআলাহ আফদালিয়্যাতে ইমাম», পৃ. ৬২।
- ↑ তিরমিযী, সুনানুত তিরমিযী, ১৩৯৫ হি., খণ্ড ৫, পৃ. ৬১১; আহমাদ ইবনে হাম্বাল, মুসনাদে আহমাদ, ১৪২১ হি., খণ্ড ২, পৃ. ৪০, হাদীস নং ৬০২।
- ↑ হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ, ১৪১৪ হি., খণ্ড ৯, পৃ. ৫৩; ইবনে জাউযী, আল-মাউযূ'আত, ১৩৮৬ হি., খণ্ড ১, পৃ. ৩৯৮।
- ↑ তাবরাসী, আল-ইহতিজাজ, ১৪০৩ হি., খণ্ড ২, পৃ. ৪৪৭।
গ্রন্থপঞ্জি
- ইবনে আবিল হাদীদ, আবদুল হামীদ, শারহে নাহজুল বালাগাহ, কোম, মাকতাবাতু আয়াতিল্লাহিল মার'আশীন নাজাফী, প্রথম সংস্করণ, ১৪০৪ হি.।
- ইবনে আবি শাইবা, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ, আল-মুসান্নাফ ফিল আহাদীস ওয়াল আছার, সম্পাদনা: কামাল ইউসুফ আল-হুত, রিয়াদ, মাকতাবাতুর রুশদ, প্রথম সংস্করণ, ১৪০৯ হি.।
- ইবনে জাওযী, জামালুদ্দীন, আল-মাউযূ'আত, সম্পাদনা: আবদুর রহমান মুহাম্মদ উসমান, মাদীনা, আল-মাকতাবাতুস সালাফিয়্যাহ, প্রথম সংস্করণ, ১৩৮৬ হি.।
- ইবনে মাজাহ, মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযীদ, সুনানে ইবনে মাজাহ, সম্পাদনা: মুহাম্মদ ফুয়াদ আবদুল বাকী, স্থান অজ্ঞাত, দারু ইহইয়ায়িল কুতুবিল আরাবিয়্যাহ, তারিখহীন।
- আহমাদ ইবনে হাম্বাল, আবু আবদুল্লাহ, মুসনাদে আহমাদ ইবনে হাম্বাল, সম্পাদনা: শু'আইব আল-আরনাউত ও আদিল মুরশিদ, স্থান অজানা, মুআসসাসাতুর রিসালাহ, প্রথম সংস্করণ, ১৪২১ হি.।
- ইসফাহানী, আবু নু'আয়ীম, তারিখে ইসফাহান, সম্পাদনা হাসান কাসরাভী, বৈরুত, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, ১৪১০ হি.।
- আলবানী, মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন, সিলসিলাতুল আহাদীসিস সহীহাহ ওয়া শাইয়্যুন মিন ফিকহিহা ওয়া ফাওয়াইদিহা, রিয়াদ, মাকতাবাতুল মা'আরিফ লিন নাশরি ওয়াত তাওযী', ১৪১৫ হি.।
- বাজভান্দ, রেজা, «بازخوانی سندی و دلالی حدیث سیدا شباب اهل الجنة», মারকাযে হাকায়িকুল ইসলামী, পরিদর্শনের তারিখ: ২১ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি.।
- বাহরানী, আলী, মানারুল হুদা ফিন নাসি আলা ইমামাতিল আইম্মাতিল ইছনা 'আশার (আ.), সম্পাদনা: আবদুয যাহরা খাতীব, বৈরুত, দারুল মুনতাযার, ১৪০৫ হি.।
- তিরমিযী, মুহাম্মদ ইবনে ঈসা, সুনানুত তিরমিযী, সম্পাদনা ও টীকা: আহমাদ মুহাম্মদ শাকির, মিসর, মাকতাবাতু ওয়া মতবা'আহ, দ্বিতীয় সংস্করণ, ১৩৯৫ হি.।
- হিময়ারী, আবদুল্লাহ ইবনে জা'ফার, কুরবুল ইসনাদ, কোম, মুআসসাসাতু আলে আল-বাইত, প্রথম সংস্করণ, ১৪১৩ হি.।
- খাযিন, আলাউদ্দীন, লুবাবুত তাআবীল ফি মা'আনিত তানযীল, সম্পাদনা: মুহাম্মদ আলী শাহীন, বৈরুত, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, প্রথম সংস্করণ, ১৪১৫ হি.।
- সাম'আনী, মানসুর ইবনে মুহাম্মাদ, তাফসীরুল কুরআন, সম্পাদনা: ইয়াসির ইবনে ইবরাহীম, রিয়াদ, দারুল ওয়াতান, প্রথম সংস্করণ, ১৪১৮ হি.।
- সিনদী, নুরুদ্দীন, হাশিয়াতুস সিনদী আলা সুনানি ইবনে মাজাহ, বৈরুত, দারুল জাইল, তারিখহীন।
- শেখ সাদুক, মুহাম্মদ ইবনে আলী, মান লা ইয়াহদুরুহুল ফকীহ, কোম, দাফতারে ইনতিশারাতে ইসলামী, দ্বিতীয় সংস্করণ, ১৪১৩ হি.।
- শেখ তুসী, মুহাম্মদ ইবনুল হাসান, আল-আমালী, কোম, দারুস ছাকাফাহ, প্রথম সংস্করণ, ১৪১৪ হি.।
- শেখ মুফীদ, মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ, আল-আমালী, সম্পাদনা: হুসাইন উস্তাদ ওয়ালী, আলী আকবর গাফফারী, কোম, কংগ্রে শেখ মুফীদ, প্রথম সংস্করণ, ১৪১৩ হি.।
- শেখ মুফীদ, মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ, আল-ইখতিসাস, সম্পাদনা: আলী আকবর গাফফারী, কোম, আল-মু'তামারুল আলামী লি আলফিয়্যাতিশ শেখিল মুফীদ, প্রথম সংস্করণ, ১৪১৩ হি.।
- তাবরাসী, আহমাদ ইবনে আলী, আল-ইহতিজাজ আলা আহলিল লাজাজ, মাশহাদ, নাশরে মুরতাযা, প্রথম সংস্করণ, ১৪০৩ হি.।
- ফাতেহী, আলী, «হাদীসে সাইয়্যেদা শাবাবে আহলিল জান্নাহ ওয়া মাসআলাতে আফদালিয়্যাতে ইমাম» মাজাল্লাহয়ে কালামে ইসলামী, বর্ষ ২১, সংখ্যা ৮২, কোম, শাহরীওয়ার ১৩৯১ ফার্সি সন।
- মাজলিসী, মুহাম্মদ বাকের, বিহারুল আনোয়ার, বৈরুত, দারু ইহইয়ায়িত তুরাছিল আরাবী, দ্বিতীয় সংস্করণ, ১৪০৩ হি.।
- মাজলিসী, মুহাম্মদ বাকের, হাক্কুল ইয়াকীন, তেহরান, ইনতিশারাতে ইসলামিয়্যাহ, তারিখহীন।
- মুযাফফার, মুহাম্মদ হাসান, দালাইলুস সিদ্ক, কোম, মুআসসাসাতু আলে আল-বাইত (আ.), প্রথম সংস্করণ, ১৪২২ হি.।
- মানাবী, আবদুর রাউফ, ফাইযুল কাদীর শারহুল জামে' আস-সাগীর, মিসর, আল-মাকতাবাতুত তিজারিয়্যাতিল কুবরা, প্রথম সংস্করণ, ১৩৫৬ হি.।
- মানাবী, আবদুর রাউফ ইবনে তাজ, আত-তাইসীর বিসারহিল জামে' আস-সাগীর, রিয়াদ, মাকতাবাতুল ইমামিশ শাফি'ঈ, ১৪০৮ হি.।
- হাইসামী, নুরুদ্দীন, মাজমাউয যাওয়াইদ ওয়া মানবা'উল ফাওয়াইদ, সম্পাদনা: হিসামুদ্দীন আল-কুদসী, কাহিরা, মাকতাবাতুল কুদসী, ১৪১৪ হি.।