বিষয়বস্তুতে চলুন

মেসওয়াক করা

wikishia থেকে



(নিবন্ধটি ফিকাহ সংশ্লিষ্ট একটি বিষয়ের সংজ্ঞা ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতি নিয়ে রচিত এবং ধর্মীয় আমলের মানদণ্ড নয়। আমলের লক্ষ্যে অন্য সূত্রের শরণাপন্ন হোন।)

মেসওয়াক করা; অত্যন্ত তাকিদপূর্ণ মুস্তাহাবগুলির মধ্যে একটি এবং ওযু] ও নামাজের আদবগুলির মধ্যে একটি, এবং হাদিসে এটি নবীদের (আ.) সুন্নাত হিসাবে পরিচিত। এটি মহানবী (সাঃ) এর উপর ওয়াজিব ছিল এবং মেসওয়াক করে নামাজ পড়া মেসওয়াক করা ছাড়া নামাজের চেয়ে অনেক উত্তম বলে বিবেচিত হয়। এর অনেক প্রভাবের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন- মুখ পরিষ্কার থাকে, ঝকঝকে সাদা দাঁত, মাড়ি শক্তিশালী হয়, কফ দূর করে এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে।

মেসওয়াক করার জন্য মুস্তাহাব সময়গুলির মধ্যে রয়েছে ফজর, ওযু ও নামাজের আগে এবং ঘুমানোর আগে এবং পরে। মেসওয়াক করার পাশাপাশি গড়গড়া করা এর আদবের অংশ হিসাবে বিবেচিত হয় এবং এজন্য আরাক গাছ ব্যবহার করার তাকিদ দেওয়া হয়েছে।

ফকীহগণ নামাজ, রোজা এবং হজ্জের অধ্যায়গুলিতে মেসওয়াক করার হুকুম নিয়ে আলোচনা করেছেন; যার মধ্যে রয়েছে ওযু ও নামাজের আদব, রোজা ভঙ্গের কারণসমূহ এবং ইহরাম বাঁধার আগে মুস্তাহাব ও ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ বিষয়গুলির অধ্যায়ে।

অবস্থান ও গুরুত্ব

মেসওয়াক করাকে ওযু ও নামাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুস্তাহাব[] এবং আদব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।[] অভ্যাসকে সুন্নাত হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং নবীদের আখলাকের অন্যতম বৈশিষ্ট্য[] এবং ইমাম আলী (আ.) -এর প্রতি রাসূলের (সা.) সুপারিশগুলির মধ্যে একটি।[]

মাসুমিনদের হাদিসসমূহে এই সুন্নতের উপর বিশেষ তাকিদ দেওয়া হয়েছে। ওয়াসা'ইলুশ শিয়া গ্রন্থে এর গুরুত্ব ও আদব সম্পর্কে আশিটিরও বেশি হাদিস বর্ণিত হয়েছে।[] এই বিষয়টি ফিকাহশাস্ত্রের বিভিন্ন অধ্যায়ে যেমন- পবিত্রতা,[] সালাত,[] রোযা,[] এবং হজ্জে[] আলোচনা করা হয়েছে। আল্লামা মজলিসির হিলিয়াতুল মুত্তাকিন,[১০] মালিকি তাবরিযীর[১১] আসরারুস সালাত এবং জাওয়াদি আমোলির[১২]মাফাতিহুল হায়াতের মতো আদব ও শিষ্টাচার সম্পর্কিত বইতেও এটি আলোচনা করা হয়েছে।[12]

বলা হয় যে, মেসওয়াক করা আল্লাহর রাসূল [সা.]-এর বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে একটি হিসাবে গণ্য করা হয়।[১৩] হাদিস অনুসারে, যদিও কষ্ট এড়ানোর লক্ষে মুসলমানদের উপর মেসওয়াক করা ওয়াজিব করা হয়নি,[১৪] কিন্তু এতে এতটাই জোর দেওয়া হয়েছিল যে মহানবী (সাঃ) ভেবেছিলেন যে, এটি শীঘ্রই ওয়াজিব হয়ে যাবে।[১৫] এছাড়াও, মেসওয়াক করে নামাজ পড়লে মেসওয়াক না করে পড়া নামাজের চেয়ে সত্তর গুণ বেশি ফযিলত রাখে।[১৬]

মেসওয়াক এর আদব ও উপকারিতা

হাদিসসমূহে মেসওয়াক করার অনেক উপকারিতা উল্লেখ করা হয়েছে, এমনকি বলা হয়েছে যে, শুধুমাত্র একটি হাদিসেই এর বারোটি উপকারিতা বর্ণনা করা হয়েছে।[১৭] এর মধ্যে রয়েছে যে, মেসওয়াক করলে মুখ পরিষ্কার হয়, দাঁত সাদা হয়, দাঁতের ক্ষয় দূর হয়, মাড়ি শক্তিশালী হয়।[১৮]

মেসওয়াক করা মুস্তাহাব, তবে এটি কিছু সময়, যেমন-ফজরের সময় ওযু ও নামাজের আগে,[১৯] ঘুমানোর আগে,[২০] ঘুম থেকে ওঠার পরে এবং ফজর নামাজের জামাতের আগে,[২১] ঘুমানোর আগে,[২২] এবং কুরআন তেলাওয়াতের সময়।[২৩]

মেসওয়াক করার জন্য নির্দিষ্ট আদব রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে একটি বিশেষ দোয়া পাঠ করা,[২৪] কুলি করা,[২৫] এবং লম্বভাবে মেসওয়াক করা।[২৬] আরাক কাঠ বা যয়তুন কাঠ ব্যবহার করাও উত্তম, যা মহানবী (সাঃ) এবং অন্যান্য নবীগণ (আ.) ব্যবহার করতেন বলে জানা যায়।[২৭] তবে, কিছু বর্ণনায়, আঙুল বা গাছের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।[২৮]

মেসওয়াক করার ফিকাহগত আহকাম

ফিকাহশাস্ত্রের তাহারাত, নামাজ, নামাজের আদব, রোজা এবং হজ্জের অধ্যায়ে মেসওয়াক করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

  • তাহারাতের অধ্যায়ে: ফকীহদের মতে, বাথরুম এবং টয়লেটে মেসওয়াক করা মাকরূহ।[২৯] তবে, কিছু ফকীহ এই মাকরূহকে মলত্যাগের অবস্থার সাথে নির্দিষ্ট বলে মনে করেন,[৩০] এবং শেখ মুফিদ মলত্যাগের সময় এটিকে হারাম বলে মনে করেছেন।[৩১] এছাড়াও, মেসওয়াক করা নামাজ এবং ওযুর একটি সুপারিশকৃত মুস্তাহাব হিসাবে বিবেচিত হয়।[৩২]
  • রোজার অধ্যায়ে: ফকীহদের ফতোয়া অনুসারে, যদি কোন রোযাদার তার মুখ থেকে ভেজা মেসওয়াক বা টুথব্রাশ বের করে আবার মুখে রাখে এবং এর আর্দ্রতা গিলে ফেলে, তাহলে তার রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে, যদি না তা মুথের লালায় মিশে একাকার হয়ে যায়।[৩৩] এছাড়াও, রোযাদারের জন্য ভেজা ডালের সাহায্যে মেসওয়াক করা মাকরূহ।[৩৪]
  • হজ্জের অধ্যায়ে: হজ্জের অধ্যায়: ইহরাম বাঁধার আগে মেসওয়াক করা মুস্তাহাব;[৩৫] কিন্তু যদি ইহরামধারী ব্যক্তি জানেন যে মেসওয়াক করলে তার মাড়ি থেকে রক্ত বের হবে, তাহলে এটি তার জন্য হারাম।[৩৬] অবশ্য, আয়াতুল্লাহ সিস্তানি ইহরাম অবস্থায় মেসওয়াক করাকে জায়েজ মনে করেন, যদিও সে জানেন যে তার রক্ত বের হবে।[৩৭]

তথ্যসূত্র

  1. মালেকী তাবরিযী, আসরারুস সালাত, ১৪২০ হি., পৃ. ৪৬।
  2. মাজলিসী, লাওয়ামেউ সাহেবকারানী, ১৪১৪ হি., খ. ১, পৃ. ৪৪৯; শিরাজী, আল ফিকহুন্নাজাফা, পৃ. ৮৮।
  3. সাদুক,মান লা ইয়াহযুরুহুল ফাকীহ, ১৪১৩ হি., খ. ১, পৃ. ৫৫।
  4. সাদুক,মান লা ইয়াহযুরুহুল ফাকীহ, ১৪১৩ হি., খ. ১, পৃ. ৫৩।
  5. হুর আমেলী, ওয়াসায়েলুশ শিয়া, ১৪০৯ হি., খ. ২, পৃ. ৫-২৭।
  6. নাজাফী, জাওয়াহিরুল কালাম, ১৪০৪ হি., খ. ২, পৃ. ৭০।
  7. মাজলিসী, লাওয়ামেউ সাহেবকারানী, ১৪১৪ হি., খ. ১, পৃ. ৪৪৯।
  8. তাবাতাবাঈ ইয়াযদী, আল উরওয়াতুল ওসকা, ১৪১৯ হি., খ. ৩, পৃ. ৫৮৮; মাজলিসী, লাওয়ামেউ সাহেবকেরানী, ১৪১৪ হি., খ. ৬, পৃ. ৩৭১।
  9. মাহমুদী, মানাসিকে উমরায়ে মুফরাদা (মোহাশী), ১৪২৯ হি., পৃ. ৭৫।
  10. মাজলিসী, হিলিয়াতুল মুত্তাকিন, ১৩৮৮ (ফার্সি সন), পৃ. ১৫৫-১৫৭।
  11. মালিকি তাবরিযী, আসরারুস সালাত, ১৪২০ হি., পৃ. ৪৬।
  12. জাওয়াদী আমোলি, মাফাতীহুল হায়াত, ১৩৯১ (ফার্সি সন), পৃ. ৪৩-৪৫।
  13. কারকী, জামেউল মাকাসেদ, ১৪১৪ হি., খ. ১২, পৃ. ৫২; সিয়ুতী, আল খাসায়েসুল কুবরা, দারুল কুতুবিল ইলমিয়া, খ. ২, পৃ. ৩৯৬।
  14. কুলাইনী,আল কাফী, ১৪০৭ হি., খ. ৩, পৃ. ২২।
  15. মাজলিসী,বিহারুল আনওয়ার, ১৪০৩ হি., খ. ৭৩, পৃ. ১২৬।
  16. কুলাইনী, আল কাফী, ১৪০৭ হি., খ. ৩, পৃ. ২২।
  17. মালেকী তাবরিজী, আসরারুস সালাত, ১৪২০ হি., পৃ. ৪৫।
  18. হুর আমেলী, ওয়াসায়েলুশ শিয়া, ১৪০৯ হি., খ. ২, পৃ. ৮।
  19. কুলাইনী, আল কাফী, ১৪০৭ হি., খ. ৩, পৃ. ২৩।
  20. তাবাতাবাঈ, সুনানুন নবী (স.), ১৪১৬ হি., পৃ. ২৬৫; মালেকী তাবরিজী, আসরারুস সালাত, ১৪২০ হি., পৃ. ৪৬।
  21. তাবাতাবাঈ, সুনানুন নবী (স.), ১৪১৬ হি., পৃ. ২৬৫; মালেকী তাবরিজী, আসরারুস সালাত, ১৪২০ হি., পৃ. ৪৬।
  22. তাবাতাবাঈ, সুনানুন নবী (স.), ১৪১৬ হি., পৃ. ২৬৫; মালেকী তাবরিজী, আসরারুস সালাত, ১৪২০ হি., পৃ. ৪৬।
  23. হুররে আমেলী, ওয়াসায়েলুশ শিয়া, ১৪০৯ হি., খ. ২, পৃ. ২২-২৩।
  24. মালেকী তাবরিজী, আসরারুস সালাত, ১৪২০ হি., পৃ. ৪৬।
  25. শিরাজী, আল ফিকহুন্নাজাফা, পৃ. ৮৮।
  26. তাবরেসী, মাকারিমুল আখলাক, ১৪১২ হি., পৃ. ৫০।
  27. তাবরেসী, মাকারিমুল আখলাক, ১৪১২ হি., পৃ. ৪৮।
  28. হুর আমেলী, ওয়াসায়েলুশ শিয়া, ১৪০৯ হি., খ. ২, পৃ. ২৩-২৪।
  29. ইবনে হামযা, আল ওয়াসিলা, ১৪০৮ হি., পৃ. ৪৮; মুহাক্কেক হিল্লি, আল মোতবার ফি শারহিল মোখতাসার, ১৪০৭ হি., খ. ১, পৃ. ১৩৭।
  30. নাজাফী, জাওয়াহিরুল কালাম, ১৪০৪ হি., খ. ২, পৃ. ৭০।
  31. শেখ মফীদ,আল-মোকনিয়া, ১৪১০ হি., পৃ. ৪১।
  32. মাজলিসী, লাওয়ামেউ সাহেবকেরানী, ১৪১৪ হি., খ. ১, পৃ. ৪৪৯।
  33. বনি হাশেমী খোমেনী, রেসালায়ে তওজীহুল মাসায়েল মোরাজে, দফতরে এন্তেশারাতে ইসলামী, খ. ১, পৃ. ৮৯২।
  34. তাবাতাবাঈ ইয়াযদী, আল উরওয়াতুল ওয়াসকা, ১৪১৯ হি., খ. ৩, পৃ. ৫৮৮; বনি হাশেমী খোমেনী, রেসালায়ে তওজীহুল মাসায়েল মারাজে, দফতরে এন্তেশারাতে ইসলামী, খ. ১, পৃ. ৯২৫।
  35. মোহাম্মদী রেই শাহরী, হজ ও ওমরাহ দার কোরআন ও হাদিস, ১৪২৮ হি., পৃ. ১৮৩।
  36. পাজুহেশকদে হজ্জ ও জিয়ারত, মানাসিকে হজ্জ মোহাশী, ১৩৯৬ (ফার্সি সন), পৃ. ১৯৭।
  37. পাজুহেশকাদে হজ্জ ও জিয়ারত, মানাসিকে হজ্জ মোহাশী, ১৩৯৬ (ফার্সি সন), পৃ. ১৯৭।

গ্রন্থপঞ্জি

  • ইবনে হামযা, মুহাম্মাদ ইবনে আলী, আল ওয়াসীলাহ, কোম, আয়াতুল্লাহ মারাশি নাজাফি লাইব্রেরী প্রকাশনা, ১৪০৮ হি.,
  • বানিয হাশেমী খোমিনী, সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ হাসান, রেসালায়ে তৌযিহুল মাসায়েলে মারাজে’, কোম, কোমের শিক্ষক সমিতির সাথে সম্পর্কিত ইসলামিক প্রকাশনা অফিস, (বি:তা:),
  • হজ ও তীর্থযাত্রা গবেষণা ইনস্টিটিউট, মানাসেকে হজ্জ মোহাশশী, তেহরান, মাশ'আর, ১৩৯৬ (ফার্সি সন),
  • জাওয়াদী আমোলী, 'আব্দোল্লাহ, মাফাতীহোল হায়াত, কোম, প্রকাশ ইসরা, ১৩৯১ (ফার্সি সন),
  • হুররে আমেলী, মুহাম্মাদ ইবনে হাসান, ওয়াসায়েলোশ শীয়া, কোম, আলিল বাইত (আ.) ইনস্টিটিউট, ১৪০৯ হি.,
  • সুয়ূতী, আব্দুর রহমান বিন আবি বাকর, আল খাছায়েসুল কুবরা, বৈরুত, দারুল কুতুবিল ইলমিয়া, (বি:তা:),
  • শেখ মুফীদ, মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ, আল মুকনিয়াহ, কোম, কোমের শিক্ষক সমিতির সাথে সম্পর্কিত ইসলামিক প্রকাশনা অফিস, ১৪১০ হি.,
  • শিরাজী, সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ হুসাইনী, আল ফিকহু আন নাযাফাহ, (বি:তা:),
  • শেখ সাদূক, মুহাম্মাদ ইবনে আলী, মান লা ইয়াহযুরুহুল ফাকীহ, কোম, কোমের শিক্ষক সমিতির সাথে সম্পর্কিত ইসলামিক প্রকাশনা অফিস, ১৪১৩ হি.,
  • তাবাতাবায়ী ইয়াযদী, সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ কাযেম, আল উরওয়াতুল ওসকা (আল মোহাশশী), কোম, কোমের শিক্ষক সমিতির সাথে সম্পর্কিত ইসলামিক প্রকাশনা অফিস, ১৪১৯ হি.,
  • তাবাতাবায়ী, সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ হুসাইন, সুনানুন নাবী (স.), কোম, কোমের শিক্ষক সমিতির সাথে সম্পর্কিত ইসলামিক প্রকাশনা অফিস, ১৪১৬ হি.,
  • তাবরেসী, হাসান ইবনে ফাযল, মাকারেমুল আখলাক, কোম, শরীফ রাযি প্রকাশনা, ১৪১২ হি.,
  • কারকী, আলী ইবনে হুসাইন, জামেউল মাক্বাসেদ ফী শারহিল ক্বাওয়ায়েদ, কোম, আলিল বাইত (আ.) ইনস্টিটিউট, ১৪১৪ হি.,
  • কুলাইনী, মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকূব, আল কাফী, তেহরান, দারুল কুতুবিল ইসলামি, ১৪০৭ হি.,
  • মাজলেসী, মুহাম্মাদ বাকের, বিহারুল আনওয়ার, বৈরুত, দারু এহয়ায়েত তুরাসিল অরাবী, ১৪০৩ হি.,
  • মাজলেসী, মুহাম্মাদ বাকের, হিলয়াতুল মুত্তাকিন, কোম, জামকারন পবিত্র মসজিদ প্রকাশনী, ১৩৮৮ (ফার্সি সন),
  • মাজলেসী, মুহাম্মাদ তাক্বী, লাওয়ামে' সাহেবকারানী, কোম,ইসমাঈলীয়ান, ১৪১৪ হি.,
  • মুহাক্কেক হিল্লি, জাফর ইবনে হাসান, আল মো'তাবার ফী শারহিল মুখতাসার, কোম, সাইয়্যেদুশ শোহাদা (আ.) ইনস্টিটিউট, ১৪০৭ হি.,
  • মুহাম্মাদী রেই শাহরী, মুহাম্মাদ, হজ্জ ও ওমরা দার কোরআন ও হাদীস, কোম, মাশআর প্রকাশনী, ১৪২৮ হি.,
  • মাহমুদী, মুহাম্মাদ রেযা, মানাসেকে ওমরায়ে মুফরাদাহ (মোহাশশী), কোম, মাশআর প্রকাশনী, ১৪২৯ হি.,
  • মালেকী তাবরিযী, মির্জা জাওয়াদ, আসরারুস সালাত; তরজমা-রেযা রজবযাদেহ, তেহরান, পয়ামে আযাদী প্রকাশনী, ১৪২০ হি.,
  • নাজাফী, মুহাম্মাদ হাসান, জ়াওয়াহেরুল কালাম, বৈরুত, দারু এহয়ায়েত তুরাসিল অরাবী, ১৪০৪ হি।