ফাদাক

wikishia থেকে

ফাদাক; হচ্ছে উত্তর মদীনার একটি ছোট্ট ও উর্বর গ্রাম; যা হিজাজ অঞ্চলের খাইবারের নিকটে অবস্থিত এবং সেখানে ইহুদিরা বসবাস করত। এ ভূ-খণ্ডটি খাইবারের যুদ্ধে বিজয় লাভের পর কোন ধরনের বাধা-বিগ্ন ছাড়াই মুসলমানদের হস্তগত হয়। মহানবী (সা.) আল্লাহর পক্ষ থেকে নিম্নের আয়াতটি নাযিলের পর; ভু-খণ্ডটি নিজ কন্যা হযরত ফাতিমা যাহরাকে (আ.) উপহার হিসেবে দান করেন;

وَآتِ ذَا الْقُرْ‌بَیٰ حَقَّهُ

“তোমার নিকটাত্মীয়দের অধিকার প্রদান কর।” (সূরা বনি ইসরাইল: ২৬)

রাসূলের (সা.) ওফাতের পর প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর এবং নবীকন্যা হযরত ফাতিমা যাহরার (আ.) মধ্যে ফাদাকের মালিকানা নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়; যা ফাদাকের ঘটনা নামে প্রসিদ্ধ। আবু বকর ফাদাককে হযরত ফাতিমার (আ.) কাছ থেকে নিয়ে নেয়। ফলে ফাতিমা যাহরা (আ.) খলিফার এহেন কাজের তীব্র প্রতিবাদ জানান। এ উর্বর ভূ-খণ্ডটি বনী উমাইয়াবনী আব্বাসীয় খেলাফতকালে শাসকদের দখলে ছিল। অবশ্য, সময়ের আবর্তে বনী উমাইয়া ও বনী আব্বাসীয় খলিফাদের কেউ কেউ এ ভূ-খণ্ডটি হযরত ফাতিমা যাহরার (আ.) সন্তানাদিদের নিকট হস্তান্তর করেছিলেন; কিন্তু তাদের পরবর্তী খলিফা ক্ষমতা দখলের পর উক্ত ভূ-খণ্ডটি আবার ফিরিয়ে নিয়েছেন।

ফাদাক ভূ-খণ্ডটি বর্তমান সৌদি আরবের হাঈল প্রদেশে অবস্থিত এবং ‘ওয়াদিয়ে ফাতিমা’ বা ফাতিমার ভূমি নামে পরিচিত। এ ভূ-খণ্ডে পর্যাপ্ত খোরমা বাগান রয়েছে, যেগুলো ‘বুস্তানে ফাতিমা’ বা ফাতিমার বাগান নামে প্রসিদ্ধ। এছাড়া এখানে একটি মসজিদ আছে, যা মসজিদে ফাতিমা নামে বিখ্যাত এবং অনেকগুলো ঝরনাও রয়েছে যেগুলো ‘ফাতিমার ঝর্ণা’ নামে পরিচিত।

ভৌগলিক অবস্থান এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব

ফাদাক ভূ-খণ্ডটি হেজাজ অঞ্চলের[১] মদীনা শহর হতে ২০০ কি:মি: দূরে অবস্থিত। এ ভূ-খণ্ডটি ইসলামের প্রাথমিক যুগে ইহুদিদের নিয়ন্ত্রণে ছিল[২] এবং তারাই সেখানে বসবাস করত। খাইবারের যুদ্ধে জয়লাভের পর কোন ধরনের যুদ্ধ ছাড়াই এ ভূ-খণ্ডটি মুসলমাদের হস্তগত হয়[৩] এবং মহানবী (সা.) সেটি স্বীয় কন্যা হযরত ফাতিমা যাহরাকে (আ.) দান করেন।[৪] রাসূলুল্লাহর (সা.) ওফাতের পর ফাদাকের মালিকানা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ সম্পর্কে শিয়া ও সুন্নী উভয় মাযহাবের পণ্ডিতরা[৫] নানাবিধ বই-পুস্তক রচনা করেছেন।[৬] এছাড়া, সময়ের আবর্তে ক্ষমতাসীনরা ফাদাক সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন।[৭]

ফাদাকের বৈষয়িক গুরুত্ব

ফাদাক ভূ-খণ্ড ইসলাম অভ্যূদয়ের সময় থেকে অনেক গাছ-গাছালি ও খোরমা বাগানে সমৃদ্ধ ছিল।[৮] ইবনে আবিল হাদীদ (ওফাতকাল ৬৫৬ হিজরী) খ্যাতনামা সুন্নী মনীষী উল্লেখ করেছেন, ফাদাকের খোরমা বৃক্ষগুলো মূল্য ও মানের দিক থেকে কুফা নগরীর খোরমা বাগানের সমমানের ছিল; তদানীন্তন সময়ে আরবের সবচেয়ে দামি ও বিস্তৃর্ণ খোরমা বাগান ছিল কুফা নগরীতে।[৯] ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, ইহুদিরা দ্বিতীয় খলিফার শাসনামল পর্যন্ত ফাদাক অঞ্চলে বসবাস করত, কিন্তু তিনি তাদেরকে সেখান থেকে বিতাড়িত করেন।[১০] বর্ণিত হয়েছে যে, দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর যখন ইহুদিদেরকে হিজাজ থেকে বিতাড়িত করেন, তখন ফাদাকের অর্ধাংশ ভূমি বাবদ তাদেরকে ৫০ হাজার দিরহাম প্রদান করেন।[১১] রাসূলের (সা.) জীবদ্দশাতে ফাদাকের বার্ষিক আয় ২৪ হাজার[১২] থেকে সর্বোচ্চ ৭০ হাজার দিনার পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে।[১৩]

ফাদাকের উপর মুসলমানদের কর্তৃত্ব

খাইবার যুদ্ধের বিজয় অর্জনের পর রাসূল (সা.) যখন খাইবার অঞ্চল এবং এ অঞ্চলের একের পর এক ইহুদি দূর্গ দখল করে নেন; তখন ফাদাক অঞ্চলের দূর্গসমূহ ও সেখানকার গ্রামে যে সব ইহুদিরা বসবাস করত তারা রাসূলের (সা.) নিকট নিজেদের প্রতিনিধি প্রেরণ করে সন্ধিচুক্তিতে সম্মত হয়। চুক্তি অনুযায়ী ফাদাকের অর্ধেক ভূ-খণ্ড তারা রাসূলের (সা.) নিকট হস্তান্তর করবে। এভাবে ফাদাক ভূ-খণ্ড কোন যুদ্ধ ছাড়াই মুসলমানদের দখলে আসে। অত:পর ফাঈ সম্পত্তির আয়াতের-(আল্লাহ জনপদসমূহের অধিবাসীদের নিকট হতে তাঁর রাসূলকে যা কিছু প্রদান করেছেন তা আল্লাহর, তাঁর রাসূলের, তার (রাসূলের) স্বজনদের এবং পিতৃহীন, অভাবগ্রস্ত ও অসহায় পথিকদের জন্য- সূরা হাশর: ৭)- আদেশ অনুযায়ী যে সম্পত্তি কোন যুদ্ধ ছাড়াই রাসূলের (সা.) হস্তগত হয়, তা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করবেন তাকে প্রদান করতে পারবেন।[১৪] শিয়া[১৫]সুন্নী[১৬] উভয় সূত্রে বর্ণিত রেওয়ায়েত অনুযায়ী সূরা বনি ইসরাইলের ২৬নং আয়াত (“তোমার নিকটাত্মীয়দের অধিকার প্রদান কর।”) নাযিলের পর ফাদাক ভূ-খণ্ডটি মহানবী (সা.) স্বীয় কন্যা হযরত ফাতিমা যাহরাকে (আ.) দান করেন।

ফাদাকের মালিকানা নিয়ে বিরোধ

মূল নিবন্ধ: ফাদাকের ঘটনানবিগণ কোন মিরা’সী সম্পত্তি রেখে যান না

মহানবীর (সা.) ওফাতের পর ফাদাকের মালিকানা নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে হযরত আবু বকর ফাদাককে নবীকন্যা হযরত ফাতিমার (আ.) নিকট থেকে দখল করে নিয়ে খেলাফতের সম্পদ হিসেবে ঘোষণা দেন।[১৭] এক্ষেত্রে আবু বকরের দলিল ছিল নবিগণ কোন মিরা’সী সম্পত্তি রেখে যান না এবং তিনি দাবি করেন যে, এ বিষয়টি তিনি রাসূলের (সা.) নিকট থেকে শুনেছেন।[১৮] হযরত ফাতিমা যাহরা (আ.) খুতবা-এ-ফাদাকিয়্যাহ নামক এক ঐতিহাসিক খুতবা দানের মাধ্যমে আবু বকরের এ কথাকে পবিত্র কুরআন পরিপন্থী হিসেবে অখ্যায়িত করেন।[১৯] তিনি আমিরুল মু’মিনিন আলী (আ.)উম্মে আইমানকে স্বাক্ষী হিসেবে উপস্থাপন করেন যে, রাসূল (সা.) স্বীয় জীবদ্দশাতে ফাদাক ভূ-খণ্ডটি তাকে দান করেছিলেন।[২০] আবু বকর হযরত ফাতিমার (আ.) দাবিকে গ্রহণ করেন এবং একটি কাগজে লিখিত আদেশ দেন যাতে ফাদাক তাকে ফিরিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু হযরত ফাতিমা যখন সেখান থেকে বেরিয়ে যান, তখন উমর ইবনে খাত্তাব তাঁর নিকট থেকে উক্ত কাগজটি কেড়ে নিয়ে তা ছিড়ে ফেলেন।[২১]

পরিশেষে এ ব্যাপারে যখন ইমাম আলী (আ.) কোন সুবিচার পেলেন না, তখন কোন উপায় না দেখে হযরত ফাতিমা মসজিদে নববীতে উপস্থিত হয়ে এ সম্পর্কে একটি ঐতিহাসিক খুতবা পাঠ করেন; যা ইতিহাসে খুতবা-এ-ফাদাকিয়্যাহ নামে প্রসিদ্ধ লাভ করে।[২২]

ফাদাক ভূ-খণ্ডটি উমাইয়া এবং আব্বাসীয় শাসনামলে ক্ষমতাসীনদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। অবশ্য উমাইয়া শাসক আব্দুল আজিজ[২৩], সাফফাহ এবং আব্বাসীয় শাসক মামুনুর রশিদ[২৪] এটিকে হযরত ফাতিমার (আ.) সন্তানাদিদের নিকট হস্তান্তর করেন। কিন্তু আবার আব্বাসীয় শাসক মুতাওয়াক্কিল (শাসনকাল ২৩২-২৪৭) সেটিকে শাসকযন্ত্রের নিয়ন্ত্রণে জব্দ করেন।[২৫]

ফাদাকের সর্বশেষ নিদর্শন

মূলত ফাদাক ভূ-খণ্ডটি বর্তমান সৌদি আরবের হাঈল প্রদেশে অবস্থিত। এ অঞ্চলে ‘আল হায়েত’ নামক একটি শহর গড়ে উঠেছে।[২৬] সম্প্রতি এ ভূ-খণ্ডটি ‘ওয়াদিয়ে ফাতিমা’ বা ফাতিমার ভূমি নামে পরিচিত। এ ভূ-খণ্ডে পর্যাপ্ত খোরমা বাগান রয়েছে, যেগুলো ‘বুস্তানে ফাতিমা’ বা ফাতিমার বাগান নামে প্রসিদ্ধ। এছাড়া এখানে একটি মসজিদ যা মসজিদে ফাতিমা নামে বিখ্যাত এবং অনেকগুলো ঝর্ণাও রয়েছে যেগুলো ‘ফাতিমার ঝর্ণা’ নামে পরিচিত।[২৭] বর্তমানে অবহেলা ও অযত্নের কারণে এ অঞ্চলের অধিকাংশ বাড়ী-ঘর ও ভবনসমূহ পরিত্যক্ত অবস্থার শিকার হয়েছে এবং এক সময়কার উর্বর খোরমা বাগান আজ প্রায় ধ্বংসের পথে রয়েছে।[২৮] গত ২০০৮ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আকবার হাশিমী রাফসানজানি একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে এ অঞ্চল পরিদর্শন করেন।

তথ্যসূত্র

  1. ইয়াকুত হামাভী, মুজামুল বুলদান, ১৯৯৫ ঈসায়ী, খঃ৪, পৃঃ২৩৮।
  2. বালাদী, মুজামু মায়ালিমিল হিজাজ, ১৪৩১ হিঃ, খঃ২, পৃঃ২০৫-২০৬ ও খঃ৭, পৃঃ২৩।
  3. তাবারী, তারিখুল উমাম ওয়াল মামলুক, ১৩৮৭ হিঃ, খঃ৩, পৃঃ১৫।
  4. সুয়ুতী, দূররুল মানসুর, খঃ৫, পৃঃ২৭৩।
  5. ইবনে আবিল হাদিদ, শারহে নাহজুল বালাগাহ, ১৪০৪ হিঃ, খঃ১৬, পৃঃ২৮৪, বুখারী, সহিহ বুখারী, ১৪২২ হিঃ, খঃ৪, পৃঃ৭৯, মাজলেসী, বিহারুল আনওয়ার, ১৪০৩ হিঃ, খঃ২৯, পৃঃ১২৪-১২৫, সুবহানী, ফুরুগে ভেলায়াত, ১৩৮০ (সৌরবর্ষ), পৃঃ২১৯, তাবারসী, আল-ইহতিজাজ আলা আহলিল লুজাজ, ১৪০৩ হিঃ, খঃ১, পৃঃ১০৭-১০৮ ও ফখরুদ্দিন রাযী, মাফাতিহুল গাইব, ১৪২০ হিঃ, খঃ২৯, পৃঃ৫০৬।
  6. সাদর, ফাদাক ফিত্-তারিখ, ১৪১৫ হিঃ, হোসাইনী মিলানী, ফাদাক দার ফারায ওয়া নাসিব, ১৩৮৬ (সৌরবর্ষ)।
  7. বালাজুরী, ‍ফুতুহুল বুলদান, ১৯৫৪ ঈসায়ী, পৃঃ৩৭,৩৮,৪১, ইবনে আসাকির, তাবিখু মাদিনাতু দামেশক, ১৪১৫ হিঃ, খঃ৪৫, পৃঃ১৭৮-১৭৯, আল্লামা হিল্লি, নাহজুল হাক্ব ওয়া কাশফুস্ সিক্ব, ১৯৮২ ঈসায়ী, পৃঃ৩৫৭।
  8. ইয়াকুত হামাভী, মুজামুল বুলদান, ১৯৯৫ ঈসায়ী, খঃ৪, পৃঃ২৩৮।
  9. ইবনে আবিল হাদিদ, শারহে নাহজুল বালাগাহ, ১৪০৪ হিঃ, খঃ১৬, পৃঃ২৩৬।
  10. মারজানী, বাহজাতুন্ নুফুস, ২০০২ ঈসায়ী, খঃ১, পৃঃ৪৩৮।
  11. জাওহারী বাসরী, আস-সাকিফাতু ওয়া ফাদাক, ১৪০১ হিঃ, পৃঃ৯৮।
  12. কুতুবে রাওয়ান্দী, আল-খারায়িজু ওয়াল জারায়িহু, ১৪০৯ হিঃ, খঃ১, পৃঃ১১৩।
  13. ইবনে তাউস, কাশফুল মাহজ্জাতী লি সামারাতিল মাহাজ্জাতী, ১৩৭০ হিঃ, পৃঃ১২৪।
  14. ফখরুদ্দিন রাযী, মাফাতিহুল গাইব, ১৪২০ হিঃ, খঃ২৯, পৃঃ৫০৬ ও তাবাতাবায়ী, আল-মিযান, ১৪১৭ হিঃ, খঃ১৯, পৃঃ২০৩।
  15. আয়াশী, তাফসিরে আয়াশী, ১৩৮০ হিঃ, খঃ২, পৃঃ২৮৭, কুফী, তাফসিরে ফুরাত, ১৪১০ হিঃ, পৃঃ২৩৯, তাবারসী, মাজমাউল বায়ান, ১৩৭২ সৌরবর্ষ, খঃ৮, পৃঃ৪৭৮।
  16. সুয়ুতী, দূররুল মানসুর, খঃ৫, পৃঃ২৭৩, মুত্তাকী হিন্দি, কানযুল উম্মাল, ১৪০১ হিঃ, খঃ৩, পৃঃ৭৬৭, ইবনে আবিল হাদিদ, শারহে নাহজুল বালাগাহ, ১৪০৪ হিঃ, খঃ১৬, পৃঃ২১৬।
  17. শেইখ মুফিদ, আল-মুক্বনিয়াতু, ১৪১০ হিঃ, পৃঃ২৮৯-২৯০।
  18. বালাজুরী, ‍ফুতুহুল বুলদান, ১৯৫৪ ঈসায়ী, পৃঃ৪০-৪১।
  19. তাবারসী, আল-ইহতিজাজ আলা আহলিল লুজাজ, ১৪০৩ হিঃ, পৃঃ১, খঃ১০২।
  20. হালাবী, সিরাতুল হালাবিয়্যাহ, ১৯৭১ (ঈসায়ী), পৃঃ৩ খঃ৫১২।
  21. হালাবী, সিরাতুল হালাবিয়্যাহ, ১৯৭১(ঈসায়ী), খঃ৩, পৃঃ৫১২।
  22. ইরবিলী, কাশফুলগুম্মাহ, ১৪২১ হিঃ, খঃ১, পৃঃ৩৫৩ ও ৩৬৪।
  23. বালাজুরী, ‍ফুতুহুল বুলদান, ১৯৫৪ (ঈসায়ী), পৃঃ৪১ ও ইবনে আসাকির, তাবিখু মাদিনাতু দামেশক, ১৪১৫ হিঃ, খঃ৪৫, পৃঃ১৭৮-১৭৯।
  24. বালাজুরী, ‍ফুতুহুল বুলদান, ১৯৫৪ ঈসায়ী, খঃ১, পৃঃ৩৭,৩৮।
  25. বালাজুরী, ‍ফুতুহুল বুলদান, ১৯৫৪ ঈসায়ী, খঃ১, পৃঃ৩৭,৩৮।
  26. জাফারিয়ান, আসারে ইসলামিয়্যাহ মক্কা ও মদিনা, ১৩৮৪ (সৌরবর্ষ), খঃ৩৯৬।
  27. মাজলেসী কুপায়ী, ফাদাক আয গাযাব তা তাখরিব, ১৩৮৮ (সৌরবর্ষ), পৃঃ২৪৭ ও ২৫০।
  28. মাজলেসী কুপায়ী, ফাদাক আয গাযাব তা তাখরিব, ১৩৮৮ (সৌরবর্ষ), পৃঃ২৮১।

গ্রন্থপঞ্জি

  • ইবনে আবিল হাদিদ, শারহে নাহজুল বালাগাহ, তাহকিক; মুহাম্মাদ আবুল ফাযল ইবরাহিম, কোম, কিতাবখানা আয়াতুল্লাহ মারআশী নাজাফী, ১৪০৪ হিঃ।
  • ইবনে তাউস, সাইয়্যেদ আলী ইবনে মুসা, কাশফুল মাহজ্জাতী লি সামারাতিল মাহাজ্জাতী, নাজাফ, মাতবায়াতুল হায়দারিয়্যাহ, ১৩৭০ হিঃ।
  • ইবনে আসাকির, আলী বিন হাসান, তাবিখু মাদিনাতু দামেশক, বৈরুত, দারুল ফিকর, প্রথম প্রকাশ, ১৪১৫ হিঃ।
  • বুখারী, মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল, সহিহ বুখারী, তাহকিক; যুহাইর বিন নাসের, বৈরুত, দারু তাওকিন নাজাহ, প্রথম প্রকাশ, ১৪২২ হিঃ।
  • বালাদী, আতিক বিন গাইস, মুজামু মায়ালিমিল হিজাজ, দারু মক্কা/মুয়াসসাসাতুর রিয়ান, ১৪৩১ হিঃ।
  • বালাজুরী, ‍আহমাদ বিন ইয়াহিয়া বিন জাবের, ফুতুহুল বুলদান, সালাহুুদ্দিন আল-মুনজাদ, কায়রো, মাকতাবাতু আন-নাহযাতু আল-মিসরিয়্যাহ, ১৯৫৪ ঈসায়ী।
  • জাফারিয়ান, রাসুল, আসারে ইসলামিয়্যাহ মক্কা ও মদিনা, তেহরান, মাশয়ার, তৃতীয় প্রকাশ, ১৩৮৪ (সৌরবর্ষ)।
  • জাওহারী বাসরী, আবু বকর আহমাদ বিন আব্দুল আযিয, আস-সাকিফাতু ওয়া ফাদাক, তাহকিক; মুহাম্মাদ হাদী আমিনী, তেহরান, মাকতাবাতু আন-নেইনাভিয়্যুল হাদিস, ১৪০১ হিঃ।
  • সুবহানী, জাফর, ফুরুগে ভেলায়াত, তারিখে তাহলিলিয়ে জেন্দেগানিয়ে আমিরে মুমিনিন আলী (আ.), কোম, মুয়াসসেসেয়ে ইমাম সাদেক (আ.), ষষ্ঠ প্রকাশ, ১৩৮০ (সৌরবর্ষ)।
  • সুয়ুতী, জালালুদ্দিন, দূররুল মানসুর, বৈরুত, দারুল মারিফাতি লিত্-তাবায়াতি ওয়ান নাশরি, (তাঃঅঃ)।
  • শেইখ মুফিদ, মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন নোমান, আল-মুক্বনিয়াতু, কোম, মুয়াসসাসাতুন নাশরিল ইসলামী, দ্বিতীয় প্রকাশ, ১৪১০ হিঃ।
  • সাদর, মুহাম্মাদ বাকের, ফাদাক ফিত্-তারিখ, তাহকিক; আব্দুল জাব্বার শারারাহ, মারকাযুল গাদির লিদ্-দিরাসাতুল ইসলামিয়্যাহ, ১৪১৫ হিঃ।
  • তাবাতাবায়ী, সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ হোসাইন, আল-মিযান, ইন্তেশারাতে জামেয়ে মুদাররেসিন, কোম, ১৪১৭ হিঃ।
  • তাবারসী, ফাযল বিন হাসান, মাজমাউল বায়ান, আল-ইহতিজাজ আলা আহলিল লুজাজ, তাহকিক ও তাছহিহ; মুহাম্মাদ বাকের খোরাসান, মাশহাদ, নাশরে মুর্তাজা, প্রথম প্রকাশ, ১৪০৩ হিঃ।
  • তাবারী, মুহাম্মাদ বিন জারির, তারিখুল উমাম ওয়াল মামলুক, তাহকিক; মুহাম্মাদ আবুল ফাযল ইবরাহিম, বৈরুত, দারুত্ তুরাস, ১৩৮৭ হিঃ।
  • আল্লামা হিল্লি, হাসান বিন ইউসুফ, নাহজুল হাক্ব ওয়া কাশফুস্ সিক্ব, বৈরুত, দারুল কিতাবুল বান্নানী, ১৯৮২ ঈসায়ী।
  • আয়াশী, মুহাম্মাদ বিন মাসউদ, তাফসিরে আয়াশী, তাহকিক; হাশেম রাসুলী, তেহরান, মাকতাবাতুল আলামিয়্যাতুল ইসলামিয়্যাহ, প্রথম প্রকাশ, ১৩৮০ হিঃ।
  • ফখরুদ্দিন রাযী, মুহাম্মাদ বিন ওমার, মাফাতিহুল গাইব, দারু ইহয়ায়িত্ তুরাসিল আরাবি, তৃতীয় প্রকাশ, বৈরুত, ১৪২০ হিঃ।
  • কুতুবে রাওয়ান্দী, সাঈদ বিন হিব্বাতুল্লাহ, আল-খারায়িজু ওয়াল জারায়িহু, কোম, মুয়াসসাসাতুল ইমাম মাহদী (আ.), ১৪০৯ হিঃ।
  • কুফী, ফুরাত বিন ইবরাহিম, তাফসিরে ফুরাত, তেহরান, ভেযারাতে ফারহাঙ্গ ওয়া ইরশাদাতে ইসলামী, প্রথম প্রকাশ, ১৪১০ হিঃ।
  • মুত্তাকী হিন্দি, আলী বিন হিসামুদ্দিন, কানযুল উম্মাল, তাহকিক; বাকরী হায়ানী ওয়া সাফওয়াতুস সাক্বা, মুয়াসসাসাতুর রিসালাতি, পঞ্চম প্রকাশ, ১৪০১ হিঃ।
  • মাজলেসী কুপায়ী, গোলাম হোসাইন, ফাদাক আয গাযাব তা তাখরিব, কোম, দালিলেমা, ১৩৮৮ (সৌরবর্ষ)।
  • মাজলেসী, মুহাম্মাদ বাকের, বিহারুল আনওয়ার, বৈরুত, দারু ইহয়ায়িত্ তুরাসিল আরাবি, দ্বিতীয় প্রকাশ, ১৪০৩ হিঃ।
  • মারজানী, আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মালেক, বাহজাতুন্ নুফুস, বৈরুত, দারুল গুরাবুল ইসলামী, প্রথম প্রকাশ, ২০০২ ঈসায়ী।
  • হোসাইনী মিলানী, সাইয়্যেদ আলী, ফাদাক দার ফারায ওয়া নাসিব, কোম, আল-হাকায়েক, ১৩৮৬ (সৌরবর্ষ)।
  • ইয়াকুত হামাভী, ইয়াকুত বিন আব্দুল্লাহ, মুজামুল বুলদান, বৈরুত, দারু সাদের, দ্বিতীয় প্রকাশ, ১৯৯৫ ঈসায়ী।